‘শুধু খেলার জন্য নয়, জেতার জন্যই মাঠে নামব’ — শারমিন

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের টপ-অর্ডার ব্যাটার শারমিন আক্তার সুপ্তা আসন্ন বিশ্বকাপকে ঘিরে দারুণ আত্মবিশ্বাসী। পাকিস্তানের আইসিসি নারী বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে তিনি করেছিলেন দুই শত ছেষট্টি রান, হয়েছিলেন আসরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। এবারও তিনি দলের অন্যতম ভরসা হয়ে উঠবেন বলে আশা করছে বাংলাদেশ।
বর্তমানে নারী চ্যালেঞ্জ কাপে অংশ নিয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিচ্ছে দল। সেই প্রতিযোগিতায় অনূর্ধ্ব–পনেরো ছেলেদের দলকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্তকে তিনি দেখছেন ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে। শারমিন মনে করেন, এতে মেয়েরা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ খেলার সুযোগ পাচ্ছে। এর আগে সিলেট বিভাগের অনূর্ধ্ব–সতেরো দলের বিপক্ষেও কয়েকটি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা পেয়েছে বাংলাদেশ নারী দল। পাশাপাশি কোচিং স্টাফরা নিয়মিত নেটে তাদের সঙ্গে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।
ব্যাটিং লাইনআপের শক্তি ও গভীরতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও শারমিন মনে করেন, দলে এর ঘাটতি নেই। তার মতে, “টপ-অর্ডার ভালো খেলতে পারলে মিডল ও লোয়ার-অর্ডারের জন্য কাজটা সহজ হয়ে যায়। আমাদের পাঁচ, ছয় নম্বর ব্যাটার এবং এমনকি লোয়ার-অর্ডারও বাছাইপর্বে সত্যিই ভালো করেছে।”
সম্প্রতি ইংলিশ পাওয়ার-হিটিং কোচ জুলিয়ান উড পাঁচ দিনের জন্য নারী দলের সঙ্গে কাজ করেছেন। এ নিয়ে শারমিন বলেন, এই সেশন ব্যাটারদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি করেছে। পাওয়ার শট খেলার কৌশল এবং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের জন্য সঠিক মানসিকতা গড়ে তোলার বিষয়ে দারুণ শেখানো হয়েছে।
দুই হাজার বাইশ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ আট দলের মধ্যে সপ্তম হয়েছিল। এবার কি ফলাফল আরও ভালো হবে? শারমিন আশাবাদী। তার ভাষায়, “গতবার আমরা কোভিড–১৯ এর কারণে যথেষ্ট ম্যাচ পাইনি। এবারও চ্যালেঞ্জ আছে, তবে আমরা শুধুই অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছি না। আমাদের লক্ষ্য হবে ম্যাচ জেতা।”
ব্যক্তিগত মাইলফলকের চেয়ে দলের জয়কে তিনি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। শারমিন বলেন, হেরে যাওয়া ম্যাচে সেঞ্চুরি করার চেয়ে জেতা ম্যাচে ত্রিশ রান করাই বেশি তৃপ্তির। তার মূল লক্ষ্য হলো দলের হয়ে ম্যাচ জেতা এবং বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উপস্থাপন করা।



