বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনবৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
নারী

স্বামীর পর এবার গ্রে/প্তার দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডি

kim

পূর্ব এশিয়ার দেশ দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডি কিম কিওন হি গ্রেপ্তার হয়েছেন। শেয়ারবাজারে কারসাজি ও ঘুষ গ্রহণসহ একাধিক অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে । তবে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ৫২ বছর বয়সী কিম আদালতে শুনানিতে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন। কিন্তু প্রমাণ নষ্টের আশঙ্কায় সিউল আদালত তাকে রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো সাবেক প্রেসিডেন্ট ও তার স্ত্রী একই সময়ে কারাগারে রয়েছেন। কিমের স্বামী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল বর্তমানে ব্যর্থ সামরিক আইন প্রয়োগের চেষ্টার মামলায় কারাবন্দি রয়েছেন। এই ঘটনাটি দেশে বড় রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করে এবং শেষ পর্যন্ত তার ক্ষমতাচ্যুতি ঘটে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বিএমডব্লিউর ডিলার ডয়েচ মোটর্সের শেয়ারমূল্য কারসাজির মাধ্যমে কিম অবৈধভাবে ৮০০ মিলিয়ন উওন (প্রায় ৫ লাখ ৭৭ হাজার ৯৪০ মার্কিন ডলার) অবৈধভাবে নেন। যদিও ঘটনাটি ইউন সুক ইওলের প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে ঘটেছিল, তবুও বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছিল।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, কিম বিতর্কিত ইউনিফিকেশন চার্চ থেকে ব্যবসায়িক সুবিধার বিনিময়ে দুটি শ্যানেল ব্যাগ ও একটি হীরার নেকলেস ঘুষ হিসেবে গ্রহণ করেন। ২০২২ সালের সংসদীয় উপনির্বাচন এবং ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নে হস্তক্ষেপের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে।

বিবিসি জানায়, আদালতে হাজিরার সময় কালো স্যুট ও স্কার্ট পরা কিম সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমি কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নই, তবুও সমস্যার সৃষ্টি করায় আন্তরিকভাবে দুঃখিত।”

প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ইউন সুক ইওল বিরোধী দলের আনা বিশেষ কাউন্সেল বিল তিনবার ভেটো দিয়েছিলেন। সর্বশেষ ভেটোটি দেন গত বছরের নভেম্বরে, সামরিক আইন জারি করার ঘোষণা দেওয়ার মাত্র এক সপ্তাহ আগে। বিশেষ কাউন্সেল গঠন করা হয় চলতি বছরের জুনে তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী লি জে মিয়ং প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর। সূত্র: ইন্ডিয়া ফোরামস।