বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনবৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
নারী

গাইবান্ধার পমরদেহবাড়ীতে নারী নি/র্যাতন, গাছে বেঁধে চুল কেটে জুতার মালা পড়িয়ে তা/চ্ছিল্য

গাইবান্ধার পমরদেহবাড়ীতে নারী নি/র্যাতন, গাছে বেঁধে চুল কেটে জুতার মালা পড়িয়ে তা/চ্ছিল্য

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় এক নারীর ওপর নৃশংস নির্যাতনের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা গেছে, এক নারীকে আমগাছের গোড়ায় হাত ও কোমর বেঁধে রাখা হয়েছে। তার মাথার মাঝখানে চুল কাটা, পোশাক অগোছালো, মুখে চোখে নির্যাতনের ছাপ। অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনাটি ঘটেছে গত রোববার (২৭ জুলাই)। তবে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে ফেসবুকে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর। নির্যাতনের শিকার নারী বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

“ রোববার দুপুরে পাশের গ্রামে বড় জায়ের বাপের বাড়ি গিয়েছিলাম কাপড় সেলাই করতে। সেখান থেকে ফিরে আসতেই স্থানীয় প্রভাবশালী ইউনুস মিয়া ও তার লোকজন আমার ওপর চড়াও হয়। পরকীয়ার অপবাদ দিয়ে তারা আমাকে মারধর করে,গাছে বেঁধে নির্যাতন চালায়। মাথার চুল কেটে দেয়, জুতার মালা পরিয়ে দেয়। আমার ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে, গরু বিক্রির টাকা লুট করে নিয়ে যায়,” এমনই বলছিলেন ভুক্তভগী নারী।

দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা নির্যাতনের একপর্যায়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। স্থানীয় ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান মজনু বলেন, “ ঘটনার খবর পেয়ে আমি সেখানে যাই এবং তাকে উদ্ধার করি। ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। ”

দীর্ঘদিনের জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী। অভিযুক্তরা তার বসতভিটা দখলের চেষ্টা করছে এবং পূর্বশত্রুতার জেরে এই নির্যাতন চালিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এ ঘটনায় হরিণাবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভগী।এসআই সবুজার আলী বলেন,
“ প্রাথমিক তদন্তে নির্যাতনের সত্যতা পাওয়া গেছে ।”

অভিযুক্ত ইউনুস মিয়ার বাড়িতে গেলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বরং তার লোকজন সাংবাদিকের ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। এখন পর্যন্ত স্থানীয় কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে।

নারী