Skip to content

২৮শে জুন, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার | ১৪ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

দুধের সঙ্গে যেসব খাবার খাবেন না

শরীরের চাহিদা পূরণে সব ধরনের খাবারই খেতে হয়। প্রোটিন, খনিজ পদার্থ, ভিটামিন সবকিছুই পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রয়োজন হয়। আর প্রোটিনে এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর খাবার হলো ‘দুধ’। এছাড়া দুধে থাকা ক্যালসিয়াম আমাদের দাঁতকে মজবুত করে এবং হাড়কে শক্ত করতে সাহায্য করে থাকে।

পুষ্টিগুণে ভরপুর দুধ শরীরে নানা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তাই যারা নিজের শরীর নিয়ে খুব সচেতন তারা নিয়মিত দুধ পান করতে পারেন। কেননা এই দুধ আপনার ফিটনেস ধরে রাখতে এবং ভালো রাখতে সাহায্য করবে। প্রতি রাতে এক গ্লাস গরম দুধ খেলে আপনার ঘুম ভালো হবে। এছাড়া পিরিয়ডের কারণে যাদের পেইন হয় বা যাদের অ্যাসিডিটির সমস্যা আছে তারাও নিয়মিত দুধ পান করলে মিলবে এর থেকে মুক্তি।

দুধে আছে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস, প্রোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি-১২, নিয়াসিন ও রিবোফ্লভিন প্রভৃতি পুষ্টিগুণ। এই ভিটামিনগুলো আমাদের সুস্থ রাখতে এবং বিভিন্ন কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি যোগায়। পুষ্টিগুণে ভরপুর হলেও এই দুধের সঙ্গে কিছু খাবার খাওয়া যাবে না। এগুলো হলো,

কলার সাথে দুধ মিশিয়ে অনেকেই তৃপ্তি করে খান, আবার অনেকে তো এর মধ্যে চেরি ও ব্যবহার করে থাকে। যা একদমই করা যাবে না। খেতে পারবেন কিন্তু সেটা আলাদা। কিন্তু দুধের সঙ্গে ভুলেও মিশিয়ে খাবেন না।

টক জাতীয় ফল কখনোই দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খাবেন না। যেমন লেবু, কমলা, তেঁতুল, আনারস ইত্যাদি। এতে করে বদহজমসহ গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে। তাই দুধের সঙ্গে টক জাতীয় কোনো ফল কখনই দুধের সঙ্গে খাবেন না। দুধ খাওয়ার পর, মাংস, মুলা, ডিম, মাছ ইত্যাদি খাবার খাবেন না। এতে অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে।

দুধের সঙ্গে যা খাওয়া যাবে নাহ এমন কিছু জিনিস জানার পর এবার আসি দুধের সঙ্গে খাওয়া যাবে এমন জিনিস কী কী। এগুলো হলো:

দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন গুঁড় বা মধু। এটি অনেক পুষ্টিকর এবং শরীরের জন্য ও ভালো। এতে শরীরের ভালো হবে ক্ষতি হবে না।

রসুনের সঙ্গে দুধ মিশিয়ে খেলে এটি স্বাস্থ্যর জন্য ভালো। কেননা এটি শরীরের দুষিত পদার্থ বের করে দেয় এবং শ্বাসতন্ত্রকে ভালো রাখতে এবং রাতে ভালো ঘুম দিতে সাহায্য করে।

তাই নিয়মিত দুধ পান করুণ এবং সঠিক উপায়ে পুষ্টিমান বজায় রেখে দুধ পান করুণ। যাতে দুধের পুষ্টিগুণ ঠিক থাকে এবং শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

অনন্যা/জেএজে