Skip to content

৪ঠা মে, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ | শনিবার | ২১শে বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শরীরের মেদ কমে না যে কারণে 

সুস্থ শরীর সবার কাম্য। কে না চায় সুস্থ থাকতে, কিন্তু এক্ষেত্রে সমস্যা হয় শরীরের বাড়তি মেদ। অতিরিক্ত মেদের ফলে শরীর তো মুটিয়ে যায়ই সেই সাথে ভুঁড়ি ও বেড়ে যায়। ফলে দেখতে লাগে খুবই অস্বাভাবিক। এই অতিরিক্ত মেদ ঝরানোর জন্য অনেকেই অনেক কিছু করছেন কিন্তু ফলাফল কিছুই আসে না। তাই অনেকেই তাদের ইচ্ছা শক্তি হারিয়ে ফেলেছে মেদ ঝরানোর ক্ষেত্রে। অনেকে তো অনেক কঠিন ডায়েট করেও শরীর কমিয়ে ফেলে কিন্তু ভুঁড়ি কমাতে হিমশিম খাচ্ছে। কেননা ভুঁড়ি কমাতে অনেক সময়ের প্রয়োজন হয় এবং সেই সাথে কিছুটা ধৈর্য ও ধরতে হবে। 
 
খাবারের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে বেশি। যে খাবার গুলো পুষ্টিকর সেই গুলো ই খাবেন। কিন্তু যা যা শরীরের জন্য ভালো সে সব বাদ দিয়ে বাকী সব খাবারের তালিকায় রাখলে তো আর আশারুপ ফল পাওয়া সম্ভব নয় তাই না?  এক্ষেত্রে যে যে বিষয় খেয়াল রাখলে ভুঁড়ি খুব দ্রত কমে যাবে। 

 

বাইরের খাবার বা ফাস্টফুড খাওয়া বাদ দিতে হবে 

প্রায় সবাই ওজন কমাতে চায় কিন্তু আবার বাইরের খাবার ও খাবে সেই সাথে। ফাস্টফুড শরীরের জন্য ক্ষতিকর। যত কম খাওয়া যায় ততোই ভালো মেদ কমানোর ক্ষেত্রে। যাদের একমাত্র ধ্যান ভুঁড়ি কমানো তারা এই ফাস্টফুড থেকে দূরে থাকবেন। সপ্তাহে ১ দিন খাবেন তাও অল্প। কিন্তু যদি প্রতিনিয়ত খান এই ফাস্টফুড তাহলে আপনাকে আর ভুঁড়ি কমাতে হবে না। 

 

না বুঝে ব্যায়াম করা 

কিছু কিছু তো এতো বেশি পরিমাণ ব্যায়াম করে যে আজ ই সে চিকন হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে তারা কোন সঠিক পদ্ধতি জানে না। শুধু ব্যায়াম ই করে যায়। এক্ষেত্রে আপনাকে জানতে হবে আপনার শরীরের চাহিদা কি? কীভাবে কি করলে আপনার এই ভুঁড়ি কমবে। তাই ব্যায়াম বা অন্য কিছু করার আগে একজন ভালো ট্রেইনার বা কোন ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিন। তাহলেই পাবেন ভালো ফলাফল। 

 

মানসিক চাপ থাকলে

বেশি পরিমাণে চিন্তা বা অবসাদে থাকা যাবে না। এক্ষেত্রে ওজন আপনি যতই কমাতে চান না কেন তা কখনোই কমবে না। এতে খাওয়া দাওয়ার পরিমাণ বেড়ে যাবে এবং সেই সাথে বাড়বে ভুঁড়ি ও। তাই নিজেকে সবসময় ফুরফুরে রেখে ব্যায়াম করুন। দেখবেন অনেক ভালো ফলাফল পেয়েছেন। 

অনিয়মিত ঘুম

ঘুমাতে হবে সঠিক সময়ে তাও কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা। আপনার ঘুম যদি ঠিক ভাবে না হয় তাহলে আবার শরীর ক্লান্ত থাকবে। ফলে আপনি যখন ব্যায়াম করবেন তখন প্রয়োজনীয় শক্তি পাবেন না। ডাক্তাররা ও বলে থাকেন শরীরের মেদ কোমাতে চাইলে সবার আগে প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুম। নাহলে  মেদ তো কমবেই না বরং বাড়বে। 

মদ্যপান করা

কম বেশি অনেকেই আছেন যারা মদ পান করে থাকে। কিছু খাক বা না খাক এই মদ্যপান তাদের করতেই হবে। যার ফলে বিপাক ঠিক ভাবে কাজ করে না এবং সেই সাথে ভুঁড়ি ও কমতে চাই না। তাই ভুঁড়ি কমাতে চাইলে আগে এই মদ্যপান ছাড়তে হবে, অন্যথায় সব বৃথা।

 

সঠিক নিয়মে সব করলে ফলাফল ভালো আসবে। এক্ষেত্রে নিজেই নিজেকে মোটিভেট করতে শিখুন, তাহলে অর্ধেক সমস্যা এমনিতেই সমাধান।

 

 

ডাউনলোড করুন অনন্যা অ্যাপ