Skip to content

১৪ই মে, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার | ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জামানত ছাড়া নারী উদ্যোক্তাকে ঋণ, সফল হোক এই উদ্যোগ

বর্তমানে নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ নিঃসন্দেহে প্রশংসার। করোনাকালে অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত সমাজকে দাঁড় করাতে নারীদের অংশগ্রহণ বিশেষভাবে দেশের চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। নারীদের কাজের পরিসর বাড়াতে ২৩ ও ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী উদ্যোক্তা সম্মেলন।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ ইন্ডিয়া বিজনেস কাউন্সিল (বিআইবিসি)’র যৌথ উদ্যোগে ঢাকার হোটেল রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে দ্বিতীয় দিনের মতো আন্তর্জাতিক নারী উদ্যোক্তা সম্মেলন-২০২২ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সামিটে প্রায় ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করছেন। এই সম্মেলনের ফলে নারীরা তাদের কাজকে প্রসারিত করার সুযোগ পাবে৷ যা তাদের স্বাবলম্বী হতে সহয়তা করবে। এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেন,‘নারীর ক্ষমতায়নে নীতি সহয়তার পাশাপাশি রাজনৈতিক স্বদিচ্ছাও দরকার। এক্ষেত্রে তিনি নারীকে স্বাবলম্বী করে তুলতে ঋণদান প্রতিষ্ঠানগুলোকে জামানত ছাড়াই ঋণ প্রদানের আহ্বান জানান।’ উদ্যোক্তা সৃষ্টি কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করে। নারীকে স্বাবলম্বী করতে সহোযোগিতা করে।

এটি বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক নারী উদ্যোক্তা সম্মেলন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে নারীশক্তির যথাযথ মূল্যায়ন ও প্রতিটি সেক্টরে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এই আয়োজন গৃহীত হয়েছে। যাতে নারীরা ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে, তাদের কর্মের মাধ্যমে। নারীর পথচলার সঙ্গী হচ্ছে এসব সম্মেলন। ভবিষ্যতে যেন নারীরা দেশের অর্থনীতিতে সক্রিয় প্রভাব বিস্তার করতে পারে, তার প্রতি বর্তমান সরকার অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। নারীদেরও সমাজের শোষণমূলক মনোভাব ভেঙে দিতে এই পথ ধরে এগিয়ে যেতে হবে।

বর্তমানে নারীরা দৃশ্যমানভাবে প্রতিটি ক্ষেত্রে এগিয়ে এসেছে। এখন সময় এসেছে নারী উদ্যোক্তাদের বিশ্বব্যাপী তুলে ধরার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। এ সম্মেলনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করাসহ বাংলাদেশের নারী উদ্যোক্তাদের বিশ্ব বাজারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা। এবং দেশের নারীপ্রধান ব্যবসা খাতে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা সম্ভব হবে। এই সম্মেলন একটি ভালো নেটওয়ার্কিং পরিবেশ গড়ে তুলবে যার ফলে নারী উদ্যোক্তাদের জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সুযোগ বাড়বে। নারীদের অগ্রগতি তরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক নারী উদ্যোক্তা সামিটের হাত ধরে নারীদের পথ চলা আরও মসৃণ হয়ে উঠুক।

ডাউনলোড করুন অনন্যা অ্যাপ