Skip to content

২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | রবিবার | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারী হলেন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল জজ

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কোর্টের জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন একজন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত। তিনি হলেন ৪০ বছর বয়সী আমেরিকার নাগরিক নূসরাত জাহান চৌধুরী। 

 

বিশ্ব বিখ্যাত কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, প্রিন্সটোন বিশ্ববিদ্যালয় ও ইয়েল ল স্কুল থেকে তিনি গ্র্যাজুয়েশন করেছেন। গত এক বছর থেকে ইলিনয় স্টেটে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের এটর্নি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন নূসরাত। মানবাধিকার এবং নাগরিক স্বাধীনতার ন্যায়-বিচার নিয়ে কর্মরত ২০ জন এটর্নির একটি টিমের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। এর আগে তিনি আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের আইনগত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত এখানে কাজ করেছেন তিনি। সারা আমেরিকায় কর্মরত সকল এটর্নির মধ্যে নূসরাতকে শীর্ষ স্থানীয় তিনজনের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সিনেটের লিডার এবং নিউইয়র্ক থেকে নির্বাচিত সিনেটর (ডেমক্র্যাট) চাক শ্যুমারের সুপারিশে নূসরাত চৌধুরীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নূসরাতের সাথে ৩৮ বছরের জেসিকা ক্লার্ক এবং ৫১ বছরের নীনা মরিসনকে ইউএস ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট এবং সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের জজ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনজনেরই নাম প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে একইসাথে। ফেডারেল কোর্টের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে এই তিন নারীর নিয়োগ বিভিন্ন মহল থেকে অভিনন্দিত হচ্ছে। 

 

এ ব্যাপারে চাক শ্যুমার বলেছেন, নূসরাত ইতিহাস সৃষ্টি করলেন বাংলাদেশি হিসেবে এবং দ্বিতীয় মুসলিম জজ হিসেবে-যিনি ফেডারেল কোর্টে বসবেন। মানবাধিকার এবং নাগরিক অধিকার সম্পর্কিত আইনে সম্যক ধারণা রাখা নূসরাত ইতিমধ্যেই নিজের বিচক্ষণতা প্রদর্শনে সক্ষম হয়েছেন। একেবারেই শেকড় থেকে অপরাধের ধরণ নির্ণয় এবং অপরাধীকে যথাযথ শাস্তি প্রদানে তার এই অভিজ্ঞতা বিচার ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ রাখতে অপরিসীম ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছি।