গরমে চুলের যত্ন

গরমে চুলের যত্ন
ছবি: সংগৃহীত
গরমে খোলা চুল মানেই প্রচণ্ড অস্বস্তি। তাই চুলটা বেঁধে রাখাই ভালো! বাহারি স্কার্ফ বা টুপিতে ঢেকে রাখুন চুল।

গরমের দিন মানেই চুল নিয়ে বাড়তি চিন্তা! একে তো গরমের বিশ্রী ধুলো আর ঘাম, তার সঙ্গে চুলের রুক্ষ ভাব তো আছেই! সব মিলিয়ে গরম এলেই খুসকি, ডগা ফাটা চুল আর চুলের রুক্ষতাও যেন নিত্যসঙ্গী হয়ে পড়ে! বাতাসের আর্দ্রতা এই সময় বেশি থাকায় চুল নেতিয়েও থাকে। আবার প্রখর রোদে চুল ঘেমে গেলে চুলের গোড়ায় চুলকানি ও চুল টানার কারণে গোড়া নরম হয়ে চুল পড়তে থাকে। এ ছাড়া গরমে ঘাম ও বাতাসের ধুলাবালির কারণে চুল রুক্ষ হয়ে যায়। এর ফলে চুল হয়ে পড়ে প্রাণহীন ও অনুজ্জ্বল। এজন্য নষ্ট হবার আগেই চুলের যত্ন নেয়া জরুরি। 


গরমে চুলের যত্নে নিচের টিপসগুলো মেনে চলুন:

 


প্রতিদিন শ্যাম্পু করুন

গরমে চুল সুন্দর রাখতে একদিন অন্তর অবশ্যই শ্যাম্পু করার চেষ্টা করুন। শ্যাম্পু করার সময়ে আঙুল দিয়ে হালকা হাতে মাথায় ম্যাসাজ করুন। শ্যাম্পুর পর ব্যবহার করুন কোন ভাল কন্ডিশনার। ক্ষেত্র বিশেষে প্রতিদিন শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। 


চুল বেঁধে রাখুন

গরমে খোলা চুল মানেই প্রচণ্ড অস্বস্তি। তাই চুলটা বেঁধে রাখাই ভালো! বাহারি স্কার্ফ বা টুপিতে ঢেকে রাখুন চুল।


মাথা ঠাণ্ডা রাখতে অ্যালোভেরা প্যাক

গরমে মাথা ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করবে অ্যালোভেরা। অ্যালোভেরার রস, মেথি গুঁড়া ও ত্রিফলা (আমলকী, হরিতকি ও বহেরা ভেজানো পানি) একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে চুলে লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে পরিষ্কার করে ফেলুন। এতে চুল পড়া কমতে সাহায্য করবে এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।


কলা আমলকির প্যাক

রোদে পোড়া লালচে চুলের জন্য কলা ও আমলকীর প্যাক ব্যবহার করা ভালো। এই প্যাক একই সঙ্গে চুল নরম করবে এবং রোদে পুড়ে লালচে হয়ে যাওয়া থেকে বাঁচাবে।


চুলেরও চাই এসপিএফ

শুধু মুখে সানস্ক্রিন মাখলেই হবে না, একই যত্ন দরকার আপনার চুলেরও! বাড়ির বাইরে পা দেওয়ার আগে চুলে আর স্ক্যাল্পে সানস্ক্রিন লাগিয়ে মাসাজ করে নিন।


হালকা করে চুল মুছুন

গোসল করে বেরিয়েই জোরে জোরে চুল মুছবেন না। এতে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে  যাবে। চুলে তোয়ালে জড়িয়ে শুকিয়ে নিন। চুলে হেয়ার ড্রায়ার বা হেয়ার স্ট্রেটনার ব্যবহার না করাই ভাল। এতে চুল সাময়িকভাবে দেখতে ভাল লাগলেও আখেরে ক্ষতি হয়।


পর্যাপ্ত পানি পান করুন

প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। খাবারের পাতে রাখুন প্রচুর পরিমাণ শাক-সবজি ও ফল। নিয়মিত খান কাঁচা আমন্ড। টাটকা ছোট মাছ বেশি করে খান।