২৮ অক্টোবর, ২০২৬ | বুধবারবাংলা: ১২ কার্তিক ১৪৩৩
জীবনযাপন

শীতের ছাদবাগান সাজাতে এখনই নিন প্রস্তুতি, জেনে নিন পরিচর্যার নিয়ম

443721f71bdb0ba3fd53794ea4246d36-63b726d2572f0

শীতকাল নানা ধরনের শাকসবজি ও ফুল চাষের উপযুক্ত সময়। শহরের বাসাবাড়ির ছাদেও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা যায় সবুজে ঘেরা ছোট্ট বাগান। তবে শীতের মৌসুমে ভালো ফলন পেতে হলে আগেভাগেই মাটি তৈরি, টব নির্বাচন, বীজ বপন এবং গাছের পরিচর্যার বিষয়ে প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। যাঁরা নতুন করে ছাদবাগান শুরু করতে চান, তাঁদের পাশাপাশি পুরোনো বাগানকে নতুন মৌসুমের উপযোগী করে তুলতেও এখনই কাজ শুরু করা উচিত।

ঢাকার আসাদ গেটের ফলবীথি হর্টিকালচার সেন্টারের উদ্যানতত্ত্ববিদ মো. রুহিদ হাসানের পরামর্শ অনুযায়ী, সঠিক মাটি, উপযুক্ত সার এবং পরিকল্পিত পরিচর্যার মাধ্যমে ছাদেই ফলানো সম্ভব নানা ধরনের শীতকালীন সবজি ও শাক।

বাগানের প্রথম কাজ পরিচ্ছন্নতা ও মাটি তৈরি

শীতকালীন চাষ শুরুর আগে ছাদবাগান পরিষ্কার করে নেওয়া প্রয়োজন। বৃষ্টির পর যেসব গাছ মরে গেছে, রোগাক্রান্ত হয়েছে কিংবা পোকামাকড়ের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলো শিকড়সহ তুলে ফেলতে হবে। এসব গাছ বাগান থেকে সরিয়ে নিরাপদে নষ্ট করতে হবে। রোগাক্রান্ত গাছ কম্পোস্ট তৈরিতে ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ এতে রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। পুরোনো মাটি পুনরায় ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সতর্কতা জরুরি। বস্তায় রাখা মাটি বের করে ৭ থেকে ১০ দিন কড়া রোদে ছড়িয়ে রাখলে মাটির ক্ষতিকর জীবাণু কমাতে সহায়তা পাওয়া যায়। আরও কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে মাটিতে উপযুক্ত আর্দ্রতা রেখে স্বচ্ছ পলিথিনে ঢেকে ২ থেকে ৪ সপ্তাহ রোদে রাখা যেতে পারে। এ পদ্ধতিকে বলা হয় ‘সোলারাইজেশন’। সূর্যের তাপে মাটির অনেক ক্ষতিকর ছত্রাক, পোকামাকড়ের ডিম ও আগাছার বীজ নষ্ট হতে পারে।

একই টবে বারবার একই পরিবারের সবজি চাষ না করাও গুরুত্বপূর্ণ। যেমন টমেটো, বেগুন, মরিচ ও ক্যাপসিকামের মতো গাছ পর্যায়ক্রমে ভিন্ন টব বা স্থানে লাগালে মাটিবাহিত রোগ ও পোকামাকড়ের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।

ভালো ফলনের জন্য মাটির সঠিক মিশ্রণ

Advertisements

ছাদবাগানে গাছের সুস্থ বৃদ্ধি অনেকটাই নির্ভর করে মাটির গুণগত মানের ওপর। মাটি যেন পানি ধরে রাখতে পারে, আবার অতিরিক্ত পানি সহজে বেরিয়েও যেতে পারে—এমন মিশ্রণ তৈরি করা প্রয়োজন।

একটি কার্যকর মাটির মিশ্রণ তৈরিতে ব্যবহার করা যেতে পারে—

৫০ শতাংশ দোআঁশ মাটি

৩০ শতাংশ পচা গোবর বা ভার্মিকম্পোস্ট

২০ শতাংশ কোকোপিট

বিকল্প হিসেবে ৪০ শতাংশ দোআঁশ মাটি, ৩০ শতাংশ জৈব সার, ২০ শতাংশ কোকোপিট এবং ১০ শতাংশ বালু বা ধানের তুষ মিশিয়েও মাটি তৈরি করা যায়।

গাছ লাগানোর আগে মাটিতে প্রাথমিকভাবে সার মিশিয়ে দেওয়াকে বলা হয় ভিত্তিসার বা বেসাল ডোজ। এটি গাছের শিকড় গঠন, প্রাথমিক বৃদ্ধি এবং পুষ্টির জোগান নিশ্চিত করতে সহায়তা করে। বড় টবের মাটিতে পরিমিত পরিমাণে পচানো সরিষার খৈল, হাড়ের গুঁড়া ও কাঠের ছাই ব্যবহার করা যেতে পারে। রাসায়নিক সার প্রয়োগের ক্ষেত্রে ফসলের চাহিদা, মাটির অবস্থা এবং পণ্যের নির্দেশনা অনুসরণ করা জরুরি। অতিরিক্ত সার গাছের ক্ষতি করতে পারে।

কোন সবজি লাগাবেন টবে?

শীতকালীন ছাদবাগানে টমেটো, বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি, ওলকপি, গাজর, বিটরুট, স্কোয়াশ, মরিচ, ক্যাপসিকাপ, লেটুস, পুদিনা ও মিষ্টি আলুসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করা যায়। এসব ফসলের জন্য সাধারণত ১২ থেকে ১৫ ইঞ্চি গভীর টব বা জিও ব্যাগ উপযোগী হতে পারে। তবে গাছের ধরন ও শিকড়ের বিস্তারের ওপর নির্ভর করে পাত্রের আকার নির্বাচন করতে হবে।

বীজ থেকে চারা তৈরি করে পরে স্থায়ী টবে লাগানো যায়। চারা চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ বয়সী হলে উপযুক্ত পাত্রে স্থানান্তর করা যেতে পারে। টমেটো ও বেগুনের মতো গাছ বড় হওয়ার পর ভারে হেলে পড়তে বা ভেঙে যেতে পারে। তাই শুরু থেকেই কঞ্চি বা লাঠি দিয়ে গাছকে সাপোর্ট দেওয়া ভালো।

সরাসরি বীজ বুনেই ফলানো যাবে যেসব শাক

ছাদবাগানে সবজি চাষের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের শাকও সহজে উৎপাদন করা সম্ভব। মুলা, শালগম, গাজর, পালংশাক, লালশাক, বথুয়াশাক, সরিষাশাক, ধনেপাতা ও লেটুসের মতো ফসলের বীজ সরাসরি টব বা বেডে বোনা যায়। বীজের ধরন অনুযায়ী বপনের আগে ভিজিয়ে রাখা বা অন্য প্রস্তুতির প্রয়োজন হতে পারে। তাই বীজের প্যাকেটে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করাই ভালো।

শীতজুড়ে টাটকা শাক পাওয়ার জন্য একবারে সব বীজ না বুনে ১০ থেকে ১৫ দিন পরপর অল্প অল্প করে বীজ বপন করা যেতে পারে। এতে বিভিন্ন সময়ে শাক পরিপক্ব হবে এবং একটানা কয়েক সপ্তাহ ধরে ফসল সংগ্রহের সুযোগ তৈরি হবে।

লতানো সবজির জন্য চাই শক্ত মাচা

লাউ, শিম, বরবটি ও শসার মতো লতানো সবজি ছাদে চাষ করতে হলে বড় পাত্র নির্বাচন করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে প্রায় ২০ ইঞ্চি আকারের টব বা বড় হাফ ড্রাম ব্যবহার করা যেতে পারে। পাত্রে পর্যাপ্ত মাটি ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

গাছের লতা বাড়তে শুরু করলে বাঁশ, দড়ি কিংবা নেট দিয়ে শক্ত মাচা তৈরি করে দিতে হবে। মাচা মজবুত হলে গাছ সহজে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং ফলের ভারেও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। পাশাপাশি গাছের চারপাশে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

নিয়মিত পরিচর্যায় মিলবে ভালো ফলন

শীতকালীন ছাদবাগানে শুধু গাছ লাগালেই হবে না; নিয়মিত পরিচর্যাও প্রয়োজন। টবের মাটির আর্দ্রতা পরীক্ষা করে পানি দিতে হবে। অতিরিক্ত পানি জমে থাকলে শিকড় পচে যেতে পারে। আবার মাটি বেশি শুকিয়ে গেলেও গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। তাই টবের পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা ঠিক রাখা জরুরি।

গাছের পাতায় দাগ, পোকামাকড়ের উপস্থিতি কিংবা অস্বাভাবিক বৃদ্ধি দেখা গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার, প্রয়োজন অনুযায়ী জৈব সার প্রয়োগ এবং গাছের বাড়বাড়ন্ত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বাগান সুস্থ রাখা সম্ভব।

সব মিলিয়ে, শীতের ছাদবাগানের সাফল্য নির্ভর করে আগাম পরিকল্পনা, উপযুক্ত মাটি, সঠিক পাত্র নির্বাচন ও নিয়মিত পরিচর্যার ওপর। এখন থেকেই প্রস্তুতি নিলে শীতের মৌসুমে নিজের ছাদেই পাওয়া যেতে পারে টাটকা শাকসবজি, পাশাপাশি তৈরি হবে সবুজ ও প্রশান্তিময় একটি পরিবেশ।

কোথায় পাবেন বীজ ও ভালো মানের চারা?

শীতকালীন ছাদবাগানের প্রস্তুতিতে বীজ ও চারা সংগ্রহ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। মানসম্মত বীজ ও সুস্থ চারা নির্বাচন করলে গাছের বৃদ্ধি ভালো হয় এবং ফলন পাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ে।

ঢাকায় সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বীজ সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) চারটি বিক্রয়কেন্দ্রে যেতে পারেন। কেন্দ্রগুলো রয়েছে গাবতলীর বীজ ভবন, মতিঝিলের কৃষি ভবন, জাতীয় সংসদ ভবনের বিপরীতে সেচ ভবনের সামনে এবং গ্রিন রোডে ল্যাবএইড হাসপাতালের বিপরীতে। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের বীজ কিনতে যেতে পারেন গুলিস্তানের সিদ্দিকবাজারে, যা দেশের অন্যতম বড় বীজবাজার।

অন্যদিকে, ভালো জাতের সবজির চারা তুলনামূলক কম দামে সংগ্রহের জন্য সরকারি হর্টিকালচার সেন্টার হতে পারে নির্ভরযোগ্য ঠিকানা। ঢাকায় আসাদ গেটের কাছে ফলবীথি হর্টিকালচার সেন্টার এবং গুলশান হর্টিকালচার সেন্টারে বীজ ও বিভিন্ন ধরনের চারা পাওয়া যায়। এসব কেন্দ্রে সবজির চারার দাম ২ টাকা থেকে শুরু হতে পারে।

সরকারি হর্টিকালচার সেন্টারগুলো সাধারণত শুক্র ও শনিবার এবং সরকারি ছুটির দিন ছাড়া সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। চাইলে আশপাশের বিশ্বস্ত নার্সারি থেকেও চারা সংগ্রহ করতে পারেন। কেনার সময় চারার পাতা, কাণ্ড ও শিকড়ের স্বাস্থ্য ভালোভাবে দেখে নেওয়া উচিত।

শীতের ছাদবাগানে ফুটুক রঙিন ফুল

শীতকাল ফুলের বাগান সাজানোর অন্যতম উপযুক্ত সময়। এ মৌসুমে গাঁদা, কসমস, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া, পিটুনিয়া, ক্যালেন্ডুলা, স্যালভিয়া, ডায়ান্থাস, প্যানজি, জিনিয়া, সূর্যমুখী ও বোতাম ফুলের মতো নানা জাতের ফুল ছাদবাগানে শোভা বাড়ায়।

ফুলের গাছ ভালো রাখতে পর্যাপ্ত সূর্যালোক নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অধিকাংশ শীতকালীন ফুলের জন্য প্রতিদিন প্রায় ছয় থেকে সাত ঘণ্টা রোদ উপকারী। তাই ছাদের এমন জায়গায় টব রাখুন, যেখানে দিনের বেশির ভাগ সময় আলো পৌঁছায়।

গাঁদা ফুলের গাছকে ঝোপালো করে তুলতে ডগা ছাঁটাই বা পিঞ্চিং করা যেতে পারে। চারা রোপণের প্রায় ২৫ থেকে ৩০ দিন পর গাছের অগ্রভাগ ছেঁটে দিলে পার্শ্বশাখা বাড়তে উৎসাহিত হয়। এতে উপযুক্ত পরিচর্যায় গাছে বেশি ফুল ধরতে পারে।

গোলাপগাছ ছাঁটাইয়ের সঠিক সময়

শীতের আগে গোলাপগাছের যত্ন নেওয়াও জরুরি। অক্টোবরের শেষ থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়কে গোলাপের ডাল ছাঁটাইয়ের উপযুক্ত সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ছাঁটাইয়ের আগে গাছের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং মরা, দুর্বল, চিকন ও রোগাক্রান্ত ডালপালা পরিষ্কার ধারালো যন্ত্র দিয়ে কেটে ফেলতে হবে। কাটার সময় ডালের অবস্থান ও গাছের গঠন বিবেচনায় উপযুক্ত কোণ বজায় রাখা প্রয়োজন।

ডাল কাটার ক্ষতস্থানে রোগজীবাণুর সংক্রমণ ঠেকাতে বাগান পরিচর্যায় উপযুক্ত ক্ষত-প্রলেপ ব্যবহার করা যায়। বোর্দো পেস্ট এমনই একটি প্রলেপ, যা তুঁতে ও কলিচুন দিয়ে তৈরি করা হয়। তবে সঠিক অনুপাত ও নিরাপদ ব্যবহারের নিয়ম মেনে এটি তৈরি ও প্রয়োগ করা জরুরি।

ছাঁটাইয়ের পর গাছের বৃদ্ধি ও ফুলের কুঁড়ি গঠনে সহায়তার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী জৈব সার এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান দেওয়া যেতে পারে। হাড়ের গুঁড়া বা পটাশ প্রয়োগের আগে মাটি, গাছের বয়স ও সারের নির্দেশনা বিবেচনা করা উচিত। সঠিক সময়ে ছাঁটাই ও সুষম পুষ্টি সরবরাহ করলে গোলাপগাছে নতুন ডাল গজাতে এবং ভালো ফুল পেতে সহায়তা করে।

ছাদবাগান হোক নিরাপদ ও টেকসই

ছাদে বাগান করার সময় শুধু গাছের যত্ন নিলেই হবে না, বাড়ির কাঠামো সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব দিতে হবে। টবে অতিরিক্ত পানি জমে থাকলে গাছের শিকড় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি ছাদের আর্দ্রতাজনিত সমস্যাও তৈরি হতে পারে। তাই ছাদের পানি নিষ্কাশনের পথ সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে।

টব বা বড় ড্রাম সরাসরি ছাদের ওপর না রেখে স্ট্যান্ড, ট্রে বা ইটের ওপর বসানো যেতে পারে। এতে টবের নিচে বাতাস চলাচল সহজ হয় এবং ছাদের গায়ে দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকার ঝুঁকি কমে। তবে ট্রেতে পানি জমে থাকলে তা নিয়মিত সরিয়ে ফেলতে হবে।

ভারী টব, মাটিভর্তি ড্রাম ও পানির পাত্র ছাদের একটি নির্দিষ্ট অংশে জড়ো না করে সুষমভাবে সাজানো উচিত। বড় আকারের বাগান তৈরির আগে ছাদের ভার বহনের সক্ষমতা যাচাই করাও গুরুত্বপূর্ণ।

নতুনদের শুরু হোক ছোট পরিসরে

প্রথমবার ছাদবাগান করতে চাইলে একসঙ্গে অনেক গাছ লাগানোর প্রয়োজন নেই। অল্প জায়গায় সহজে পরিচর্যা করা যায় এমন কয়েকটি শাকসবজি দিয়ে শুরু করা ভালো। লালশাক, পালংশাক, টমেটো ও বেগুনের পাশাপাশি গাঁদা কিংবা কসমস ফুলের কয়েকটি টব দিয়েও সাজিয়ে নেওয়া যায় নিজের বাগান।

গাছের ধরন অনুযায়ী আলো, পানি, সার ও পাত্রের ব্যবস্থা করতে পারলে অল্প জায়গাতেও ভালো ফল পাওয়া সম্ভব। পরিকল্পিতভাবে বীজ ও চারা সংগ্রহ, নিয়মিত পরিচর্যা এবং ছাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই শীতের ছাদবাগান হয়ে উঠতে পারে সতেজ, রঙিন ও ফলপ্রসূ।

Advertisements