সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছাড়ার এক বছর, ‘অনেক শান্তিতে আছি’ ঐশ্বরিয়া

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার এক বছর পূর্ণ হয়েছে ভারতীয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মীর। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। এক বছর পর অভিনেত্রী জানালেন, এই সিদ্ধান্তের পর তার জীবনে আগের তুলনায় অনেক বেশি প্রশান্তি এসেছে।
বর্তমানে নেটফ্লিক্সের সিরিজ ‘#লাভ’-এর প্রচারণায় ব্যস্ত ঐশ্বরিয়া। সিরিজটির প্রচারে প্রযোজক সৌন্দর্যা রজনীকান্ত ও সহশিল্পী অর্জুন দাসের সঙ্গে বিভিন্ন আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন তিনি। এরই মধ্যে ইউটিউবের ‘দ্য পূজা তালওয়ার শো’-তে সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়ার সিদ্ধান্ত এবং এর প্রভাব নিয়ে কথা বলেন অভিনেত্রী।

ঐশ্বরিয়া জানান, বর্তমানে নিজের জীবন নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট। তার কথায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকার সময়ের তুলনায় এখন তিনি অনেক বেশি স্বস্তি ও শান্তি অনুভব করছেন। জীবনের বিভিন্ন বিষয়ও ধীরে ধীরে তার কাছে গুছিয়ে আসছে বলে জানান তিনি।
তবে সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়ার পেছনে যে বিষয়গুলো ভূমিকা রেখেছিল, সেগুলো পুরোপুরি দূর হয়নি বলেও স্বীকার করেন অভিনেত্রী। পার্থক্য হলো, এখন সেসব বিষয় নিয়মিত চোখের সামনে পড়ছে না এবং সেগুলোর নেতিবাচক প্রভাবও তাকে আগের মতো প্রভাবিত করতে পারছে না।
ঐশ্বরিয়ার মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কিছু ইতিবাচক দিকও রয়েছে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের অভিনয়শিল্পী ও কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য নিজেদের প্রতিভা দর্শকদের সামনে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করেছে এই প্ল্যাটফর্মগুলো।
তিনি বলেন, এখন নিজের যোগ্যতা প্রমাণের জন্য শুধু বড় কোনো ইন্ডাস্ট্রির সুযোগের অপেক্ষায় থাকতে হয় না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে নতুনরা নিজেদের কাজ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারছেন এবং নিজেদের একটি পরিচিতি তৈরি করার সুযোগ পাচ্ছেন।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়ার সময় ঐশ্বরিয়া জানিয়েছিলেন, দীর্ঘদিন তিনি মনে করতেন অভিনয় ক্যারিয়ারে টিকে থাকতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়েও চলতে হয়—এমন ধারণা থেকেই এতদিন তিনি সেখানে সক্রিয় ছিলেন।
সম্প্রতি ‘গাট্টা কুস্তি ২’ ও ‘আশা’ সিনেমায় দেখা গেছে ঐশ্বরিয়াকে। তার নতুন সিরিজ ‘#লাভ’ বর্তমানে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে। পাশাপাশি একটি তেলুগু সিনেমাতেও অভিনয় করতে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী।



