শরতেই শীতের আগমনী বার্তা, কুয়াশায় ঢাকা তেঁতুলিয়া

বাংলা ঋতুচক্রে এখনো হেমন্তের দেখা মেলেনি। শীত আসতে আরও বেশ কিছুটা সময় বাকি। তবে শরতের মাঝামাঝিতেই উত্তরের সীমান্তঘেঁষা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় অনুভূত হচ্ছে শীতের আমেজ। ভোরে হিমেল বাতাসের সঙ্গে ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকেই তেঁতুলিয়ার আকাশ-বাতাস ছিল কুয়াশাচ্ছন্ন। ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে দূরের কোনো কিছু স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল না। ফলে সকালের দিকে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা যায়।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার ভোরে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন ২৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। দিনের তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকলেও ভোরের কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে শীতের আগমনী অনুভূত হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে মৌসুমি আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণেই পঞ্চগড় অঞ্চলে ভোরে এমন কুয়াশা দেখা যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দা খন্দকার ইমরান হোসেন বলেন, মঙ্গলবার ভোরে কুয়াশার ঘনত্ব এত বেশি ছিল যে কয়েক গজ দূরের জিনিসও পরিষ্কারভাবে দেখা যাচ্ছিল না। হিমেল বাতাসের কারণে অনেকেই হালকা গরম কাপড় পরে ঘর থেকে বের হয়েছেন।

কুয়াশার প্রভাব পড়েছে কৃষিকাজেও। স্থানীয় কৃষকেরা জানান, ভোরের কুয়াশা ও স্বল্প আলোয় মাঠে কাজ শুরু করতে তাদের কিছুটা দেরি হয়েছে। তবে সকাল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের দেখা মিললে ধীরে ধীরে কুয়াশা কেটে যায় এবং স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসে।
তেঁতুলিয়ার বাসিন্দাদের মতে, সেপ্টেম্বরের শেষদিকে ভোরে এমন ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাস শীতের আগমনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। উত্তরের এই সীমান্ত এলাকায় প্রকৃতিতে শীতের আবহ ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে।



