১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | মঙ্গলবারবাংলা: ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩
বিবিধ

এআই মানবজাতির জন্য ঝুঁকি, ধাপ্পাবাজি বলে উড়িয়ে দিল ট্রাম্প

সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায় সময়ই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার একের পর এক বিতর্কিত ছবি ও ভিডিও পোস্ট করে আলোচনায় থাকতে পছন্দ করেন। এআই মানবজাতি ধ্বংস করবে এমন আশঙ্কাকে ‘ধাপ্পাবাজি’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। পাশাপাশি প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ নির্বাহীদের সরকারি তদারকির দাবির বিরোধিতাও করেছেন তিনি।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্প লেখেন, এআই বিশ্বকে দখল করে মানবজাতিকে ধ্বংস করবে—এমন প্রচারণা একটি বড় ‘ধাপ্পাবাজি’। জলবায়ু পরিবর্তনের সতর্কবার্তার সঙ্গে তুলনা করে তিনি একে ‘অসুস্থ ষড়যন্ত্র’ হিসেবে আখ্যা দেন।

ট্রাম্প আরও লেখেন, প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণের যেকোনো পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রকে পিছিয়ে দেবে এবং চীনকে সুবিধা দেবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘এআই নিয়ন্ত্রণের কোনো বাড়তি বিধিনিষেধের প্রয়োজন নেই। একমাত্র নিয়ন্ত্রণ বা সুরক্ষাকবচ হলো একজন শক্তিশালী ও উচ্চ বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন প্রেসিডেন্ট, যা আমেরিকার রয়েছে।’

এর আগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত উন্নয়নে লাগাম টানার আহ্বান জানান অন্যতম শীর্ষ এআই নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী দারিও আমোদেই। তার এ আহ্বানে একমত হয়েছেন এক্সএআইয়ের ইলন মাস্ক ও ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান। তাদের সতর্কবার্তার পরই যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও এশিয়ার বাজারে এআই-সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর শেয়ারদরে বড় ধরনের পতন হয়।

প্রযুক্তির প্রধানেরা নিজেরাই সরকারি নিয়ন্ত্রণের দাবি তোলায় তাদের ব্যবসায়িক দূরদর্শিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ট্রাম্প। তার মতে, ব্যবসার ইতিহাসে এমন কোনো নজির নেই যেখানে কোনো শিল্পের কর্তারা নিজেদের দেউলিয়া করার মতো সরকারি নিয়ম চান। তিনি জানান, তার প্রশাসন ইতিমধ্যে অ্যানথ্রপিককে ক্ষতিকর কাজ থেকে বিরত রেখেছে।

Advertisements

এআই প্রযুক্তির সম্প্রসারণের গতি কমার আশঙ্কায় আমেরিকার শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। পাশাপাশি নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ভোটারদের মধ্যে কর্মসংস্থান হারানো, নতুন ডেটা সেন্টার নির্মাণ এবং শিশুদের পড়াশোনায় এআইয়ের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

তথ্যসূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট

Advertisements