বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনসোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
বিবিধ

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নম্বর দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

image_281441_1775919443

শিক্ষকরা মনখুলে নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে খুবই কঠোর ছিল, আপনার কাছে কী মেসেজ ছিল- এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মন খুলে গান গাওয়া যায়, মন খুলে তো আর নম্বর দেওয়া যায় না।’

এবারের ফলাফলকে সুন্দর ফলাফল উল্লেখ করে সাংবাদিকদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা খারাপ রেজাল্ট বলছেন কেন, রেজাল্ট তো সুন্দর হয়েছে।’ এদিকে, পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করা শিক্ষার্থীদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান জানান, এ ফলাফল অর্জনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ইতিবাচক আন্তঃসম্পর্ক, শিক্ষকদের প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদান, অভিভাবকদের ক্রমবর্ধমান সচেতনতা ও সহযোগিতা এবং সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা পরিচালনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। 

এবারের পরীক্ষায় গৃহীত কিছু পদক্ষেপ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সকল পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে মনিটরিং করা হয়েছিল। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য কেন্দ্রের প্রবেশদ্বারে পুলিশ সদস্যদের বডি-ওর্ন ক্যামেরা রাখা হয়েছিল। এই পরীক্ষা যথাসময়ে, পূর্ণ সিলেবাস ও পূর্ণ নম্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Advertisements

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষকদের উত্তরপত্র নির্ভুল মূল্যায়নের লক্ষ্যে কর্মশালার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছিল। উত্তরপত্র মানসম্পন্নভাবে মূল্যায়নের লক্ষ্যে পরীক্ষকদের ৩০০টি উত্তরপত্র প্রদান করা হয়েছিল। প্রতিটি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের বসার জন্য শেড নির্মাণের নির্দেশনা ছিল। সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

Advertisements
পরীক্ষার্থীরেজাল্টশিক্ষামন্ত্রীসাংবাদিক