নিজ বাড়িই যখন অবরুদ্ধ কারাগার, আলোচনায় যে সিনেমা

বাইরে যাওয়ার নেই কোনো উপায়। দরজা খুললেই অপেক্ষা করছে অজানা বিপদ। চারপাশের জানা পৃথিবীটা যদি নিমেষেই ঢেকে যায় রহস্য আর এক অজানা আতঙ্কে? এমন এক দমবন্ধ করা গল্প নিয়ে সম্প্রতি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে নতুন সায়েন্স ফিকশন সিনেমা ‘দ্য লাস্ট হাউস’। মুক্তির পর থেকেই চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মাঝে সিনেমাটি নিয়ে তৈরি হয়েছে তুমুল কৌতূহল ও আলোচনা।

গ্রেটা লি ও ওয়াগনার মৌরা অভিনীত সিনেমাটিতে চার সদস্যের একটি পরিবার হঠাৎ নিজেদের বাড়ির ভেতর আটকে পড়ে। বাইরে কী আছে, কেন তারা বের হতে পারছে না—শুরুতে তার স্পষ্ট উত্তর মেলে না। সময় যত গড়ায়, খাবার ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মজুত কমতে থাকে। পরিবারটির সামনে তখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন— আর কতদিন এভাবে টিকে থাকা সম্ভব?

সিনেমার গল্পে তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে ঘরের ভেতর আটকে থাকার বিষয়টি বিশেষভাবে সামনে আসে। দীর্ঘ বন্দিত্ব শুধু তাদের শারীরিকভাবে নয়, মানসিকভাবেও ভেঙে দিতে শুরু করে। পারিবারিক সম্পর্ক, ভয়, একাকিত্ব এবং বেঁচে থাকার তাগিদ—সবকিছু মিলিয়ে ধীরে ধীরে বাড়িটি যেন নিরাপদ আশ্রয়ের বদলে কারাগারে পরিণত হয়।

পরিচালক লুই লেতেরিয়ের সিনেমাটির পুরো গল্পকে একটি বাড়ির ভেতরেই ধারণ করেছেন। সময়ের সঙ্গে বাড়িটির পরিবর্তনও চরিত্রগুলোর মানসিক অবনতির প্রতীক হয়ে ওঠে।
রহস্য, আতঙ্ক ও বেঁচে থাকার লড়াই—এই তিনের মিশ্রণই ‘দ্য লাস্ট হাউস’-কে আলোচনায় এনেছে।



