বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনশনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
বিনোদন

এবার গানে গানে স্মরণ মহানায়িকা সুচিত্রা সেনকে

suchitra_sen-8

বাংলা গানের বিষয়-বৈচিত্র্যকে সমৃদ্ধ করার প্রয়াসে কয়েক দশক ধরে কাজ করে যাচ্ছেন বরেণ্য গীতিকবি শহীদ মাহমুদ জঙ্গী। তার লেখা অসংখ্য গান ইতোমধ্যে শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এবার তার গানের কথায় উঠে এসেছে বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি মহানায়িকা সুচিত্রা সেন। মহানায়িকাকে ঘিরে লেখা এই গানটির শিরোনাম রাখা হয়েছে ‘সুচিত্রা সেন’।

গানটির কথায় মহানায়িকার উপস্থিতি ও চলচ্চিত্রের স্মৃতিকে তুলে ধরা হয়েছে ভিন্ন আঙ্গিকে। গানের শুরুতেই রয়েছে—‘কলেজ ক্যাফেতে, মগ্ন কফিতে; হঠাৎ দেখি তিনি আসছেন/ ধীরে ধীরে আসছেন, ঠোঁটের কোণে এক চিমটি হাসি/ যেমন আকাশপরী বাতাসে ভাসছেন, আসছেন/ তাকে আমরা বলতাম, আমাদের সুচিত্রা সেন’—এমন কথায় সাজানো গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন স্টারসার্চ অ্যাওয়ার্ডজয়ী কণ্ঠশিল্পী আশফাকুল বারী রুমন।

গানটির সুর ও সংগীতায়োজনও করেছেন আশফাকুল বারী রুমন। তিনি পার্থিব ব্যান্ডের কণ্ঠশিল্পী হিসেবেও পরিচিত। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি গতকাল শিল্পীর নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলেও গানটি প্রকাশ করা হয়েছে।

মহানায়িকা সুচিত্রা সেনকে নিয়ে গান করার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে রুমন জানান, শিল্পীজীবনে তিনি নানা ধরনের বিষয় ও ভাবনা নিয়ে গান করেছেন। তবে কোনো চলচ্চিত্র কিংবদন্তিকে কেন্দ্র করে এমন আয়োজন তার জন্য এবারই প্রথম। আর এই কাজটি সম্ভব হয়েছে গীতিকবি শহীদ মাহমুদ জঙ্গীর কারণেই।

Advertisements

রুমনের ভাষ্য, জঙ্গীর লেখা গানটি হাতে পাওয়ার পর তার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল গানের কথার সঙ্গে মানানসই একটি অভিনব সুর ও সংগীতায়োজন তৈরি করা। একই সঙ্গে গায়কিতেও নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছেন তিনি।

শিল্পী রুমন বলেন, ‘শিল্পীজীবনে নানা ধরনের বিষয় নিয়ে গান করলেও কোনো চলচ্চিত্র কিংবদন্তিতে নিয়ে এমন আয়োজন এই প্রথম। এটি সম্ভব হয়েছে শুধু গীতিকবি শহীদ মাহমুদ জঙ্গীর কারণে। তার লেখা এই গানটি হাতে পাওয়ার পর সর্বোচ্চ চেষ্টা ছিল, অভিনব সুর ও সংগীতায়োজনের পাশাপাশি গায়কিতে নিজেকে ভেঙে আরও নতুনভাবে তুলে ধরার। সেই চেষ্টায় কতটা সফল হয়েছেন, তার বিচারক এখন শ্রোতারা।’

যেভাবে তৈরি হলো ‘সুচিত্রা সেন’

গানটির সৃষ্টির পেছনের গল্পও জানিয়েছেন রুমন। তিনি বলেন, কয়েক মাস আগে হঠাৎ এক রাতে গীতিকবি শহীদ মাহমুদ জঙ্গী তাকে ফোন করেন। ফোনে জঙ্গী তাকে জানান, তার জন্য একটি গান লিখেছেন এবং সেটি দেখানোর জন্য তাকে বাসায় যেতে বলেন।

রুমন বলেন, ‘কয়েক মাস আগে হঠাৎ এক রাতে জঙ্গী ভাই ফোন দিয়ে বলেন, ‘রুমন, তোমার জন্য একটা গান লিখেছি। তুমি কি একটু আসতে পারবে আমার বাসায়?’ আমি তো স্বাভাবিকভাবেই মহাআনন্দিত! পরদিনই গিটার নিয়ে চলে গেলাম জঙ্গী ভাইয়ের বাসায়।’

জঙ্গীর বাসায় গিয়ে গানের কথা পড়ার পর শুরুতেই চমকে গিয়েছিলেন রুমন। কারণ, গানটি লেখা হয়েছে বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়িকা সুচিত্রা সেনকে নিয়ে। এমন একটি বিষয় নিয়ে গান করার সুযোগ তার কাছে ছিল একেবারেই অপ্রত্যাশিত।

রুমন বলেন, ‘গানের কথা পড়ে শুরুতেই চমকে গিয়েছিলাম। কারণ একটাই, গানটি লেখা বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়িকাকে নিয়ে; যা আমার কাছে ছিল একেবারে অপ্রত্যাশিত।’

তবে বিষয়টি অপ্রত্যাশিত হলেও গানটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন তিনি। গীতিকথার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অভিনব একটি সুর তৈরির কাজ শুরু করেন। সুর তৈরি হওয়ার পর সেটি পছন্দ করেন গীতিকবি শহীদ মাহমুদ জঙ্গীও।

তবে সুর তৈরির পরও গানটির কাজে বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে হয়েছে। সমকালীন শ্রোতাদের রুচি ও শ্রবণ-অভ্যাসের কথা মাথায় রেখে সুর ও সংগীতে একাধিকবার কাটাছেঁড়া করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে নানা ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গানটিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন রুমন।

তিনি বলেন, ‘তারপরও অভিনব কিছু তুলে ধরার প্রয়াসে সেই গীতিকথায় সুর বানাতে শুরু করি। সুর করার পর জঙ্গী ভাইও সেটি পছন্দ করেন। এরপরও সুর-সংগীতে অনেক কাটাছেঁড়াও করতে হয়েছে, সমকালীন শ্রোতাদের কথা ভেবে। একইভাবে সংগীতায়োজনে দীর্ঘদিন নানা নিরীক্ষা শেষে গানটি পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’

নতুন এই গান নিয়ে শ্রোতাদের প্রতিক্রিয়ার দিকেও তাকিয়ে আছেন রুমন। তার মতে, দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের পর শ্রোতারা যদি গানটি পছন্দ করেন এবং তাদের ভালো লাগার কথা জানান, তাহলেই এই আয়োজন সার্থক হবে।

রুমন বলেন, ‘এখন গান শুনে শ্রোতারা যদি বলেন, কাজটি তাদের ভালো লেগেছে, তাহলেই এই প্রচেষ্টা সার্থক হয়ে উঠবে।’

এদিকে ‘সুচিত্রা সেন’ গান প্রকাশের পরও থেমে নেই আশফাকুল বারী রুমনের সংগীতযাত্রা। এরই মধ্যে আরও বেশ কিছু ভিন্ন ধাঁচের সংগীত আয়োজন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। নতুন এসব গানও চলতি বছরের বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন এই কণ্ঠশিল্পী ও সুরকার।

মহানায়িকা সুচিত্রা সেনকে নিয়ে তৈরি ‘সুচিত্রা সেন’ গানটি তাই একদিকে যেমন বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রীর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য, অন্যদিকে শহীদ মাহমুদ জঙ্গীর গীতিকথা এবং রুমনের সুর, সংগীতায়োজন ও কণ্ঠে ভিন্নধর্মী একটি সংগীত আয়োজন হিসেবে শ্রোতাদের সামনে এসেছে।

বাংলা গানের বিষয়-বৈচিত্র্যকে সমৃদ্ধ করার প্রয়াসে কয়েক দশক ধরে কাজ করে যাচ্ছেন বরেণ্য গীতিকবি শহীদ মাহমুদ জঙ্গী। তার লেখা অসংখ্য গান ইতোমধ্যে শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এবার তার গানের কথায় উঠে এসেছে বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি মহানায়িকা সুচিত্রা সেন। মহানায়িকাকে ঘিরে লেখা এই গানটির শিরোনাম রাখা হয়েছে ‘সুচিত্রা সেন’।

গানটির কথায় মহানায়িকার উপস্থিতি ও চলচ্চিত্রের স্মৃতিকে তুলে ধরা হয়েছে ভিন্ন আঙ্গিকে। গানের শুরুতেই রয়েছে—‘কলেজ ক্যাফেতে, মগ্ন কফিতে; হঠাৎ দেখি তিনি আসছেন/ ধীরে ধীরে আসছেন, ঠোঁটের কোণে এক চিমটি হাসি/ যেমন আকাশপরী বাতাসে ভাসছেন, আসছেন/ তাকে আমরা বলতাম, আমাদের সুচিত্রা সেন’—এমন কথায় সাজানো গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন স্টারসার্চ অ্যাওয়ার্ডজয়ী কণ্ঠশিল্পী আশফাকুল বারী রুমন।

গানটির সুর ও সংগীতায়োজনও করেছেন আশফাকুল বারী রুমন। তিনি পার্থিব ব্যান্ডের কণ্ঠশিল্পী হিসেবেও পরিচিত। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি গতকাল শিল্পীর নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলেও গানটি প্রকাশ করা হয়েছে।

মহানায়িকা সুচিত্রা সেনকে নিয়ে গান করার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে রুমন জানান, শিল্পীজীবনে তিনি নানা ধরনের বিষয় ও ভাবনা নিয়ে গান করেছেন। তবে কোনো চলচ্চিত্র কিংবদন্তিকে কেন্দ্র করে এমন আয়োজন তার জন্য এবারই প্রথম। আর এই কাজটি সম্ভব হয়েছে গীতিকবি শহীদ মাহমুদ জঙ্গীর কারণেই।

রুমনের ভাষ্য, জঙ্গীর লেখা গানটি হাতে পাওয়ার পর তার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল গানের কথার সঙ্গে মানানসই একটি অভিনব সুর ও সংগীতায়োজন তৈরি করা। একই সঙ্গে গায়কিতেও নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছেন তিনি।

শিল্পী রুমন বলেন, ‘শিল্পীজীবনে নানা ধরনের বিষয় নিয়ে গান করলেও কোনো চলচ্চিত্র কিংবদন্তিতে নিয়ে এমন আয়োজন এই প্রথম। এটি সম্ভব হয়েছে শুধু গীতিকবি শহীদ মাহমুদ জঙ্গীর কারণে। তার লেখা এই গানটি হাতে পাওয়ার পর সর্বোচ্চ চেষ্টা ছিল, অভিনব সুর ও সংগীতায়োজনের পাশাপাশি গায়কিতে নিজেকে ভেঙে আরও নতুনভাবে তুলে ধরার। সেই চেষ্টায় কতটা সফল হয়েছেন, তার বিচারক এখন শ্রোতারা।’

যেভাবে তৈরি হলো ‘সুচিত্রা সেন’

গানটির সৃষ্টির পেছনের গল্পও জানিয়েছেন রুমন। তিনি বলেন, কয়েক মাস আগে হঠাৎ এক রাতে গীতিকবি শহীদ মাহমুদ জঙ্গী তাকে ফোন করেন। ফোনে জঙ্গী তাকে জানান, তার জন্য একটি গান লিখেছেন এবং সেটি দেখানোর জন্য তাকে বাসায় যেতে বলেন।

রুমন বলেন, ‘কয়েক মাস আগে হঠাৎ এক রাতে জঙ্গী ভাই ফোন দিয়ে বলেন, ‘রুমন, তোমার জন্য একটা গান লিখেছি। তুমি কি একটু আসতে পারবে আমার বাসায়?’ আমি তো স্বাভাবিকভাবেই মহাআনন্দিত! পরদিনই গিটার নিয়ে চলে গেলাম জঙ্গী ভাইয়ের বাসায়।’

জঙ্গীর বাসায় গিয়ে গানের কথা পড়ার পর শুরুতেই চমকে গিয়েছিলেন রুমন। কারণ, গানটি লেখা হয়েছে বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়িকা সুচিত্রা সেনকে নিয়ে। এমন একটি বিষয় নিয়ে গান করার সুযোগ তার কাছে ছিল একেবারেই অপ্রত্যাশিত।

রুমন বলেন, ‘গানের কথা পড়ে শুরুতেই চমকে গিয়েছিলাম। কারণ একটাই, গানটি লেখা বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়িকাকে নিয়ে; যা আমার কাছে ছিল একেবারে অপ্রত্যাশিত।’

তবে বিষয়টি অপ্রত্যাশিত হলেও গানটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন তিনি। গীতিকথার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অভিনব একটি সুর তৈরির কাজ শুরু করেন। সুর তৈরি হওয়ার পর সেটি পছন্দ করেন গীতিকবি শহীদ মাহমুদ জঙ্গীও।

তবে সুর তৈরির পরও গানটির কাজে বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে হয়েছে। সমকালীন শ্রোতাদের রুচি ও শ্রবণ-অভ্যাসের কথা মাথায় রেখে সুর ও সংগীতে একাধিকবার কাটাছেঁড়া করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে নানা ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গানটিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন রুমন।

তিনি বলেন, ‘তারপরও অভিনব কিছু তুলে ধরার প্রয়াসে সেই গীতিকথায় সুর বানাতে শুরু করি। সুর করার পর জঙ্গী ভাইও সেটি পছন্দ করেন। এরপরও সুর-সংগীতে অনেক কাটাছেঁড়াও করতে হয়েছে, সমকালীন শ্রোতাদের কথা ভেবে। একইভাবে সংগীতায়োজনে দীর্ঘদিন নানা নিরীক্ষা শেষে গানটি পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’

নতুন এই গান নিয়ে শ্রোতাদের প্রতিক্রিয়ার দিকেও তাকিয়ে আছেন রুমন। তার মতে, দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের পর শ্রোতারা যদি গানটি পছন্দ করেন এবং তাদের ভালো লাগার কথা জানান, তাহলেই এই আয়োজন সার্থক হবে।

রুমন বলেন, ‘এখন গান শুনে শ্রোতারা যদি বলেন, কাজটি তাদের ভালো লেগেছে, তাহলেই এই প্রচেষ্টা সার্থক হয়ে উঠবে।’

এদিকে ‘সুচিত্রা সেন’ গান প্রকাশের পরও থেমে নেই আশফাকুল বারী রুমনের সংগীতযাত্রা। এরই মধ্যে আরও বেশ কিছু ভিন্ন ধাঁচের সংগীত আয়োজন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। নতুন এসব গানও চলতি বছরের বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন এই কণ্ঠশিল্পী ও সুরকার।

মহানায়িকা সুচিত্রা সেনকে নিয়ে তৈরি ‘সুচিত্রা সেন’ গানটি তাই একদিকে যেমন বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রীর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য, অন্যদিকে শহীদ মাহমুদ জঙ্গীর গীতিকথা এবং রুমনের সুর, সংগীতায়োজন ও কণ্ঠে ভিন্নধর্মী একটি সংগীত আয়োজন হিসেবে শ্রোতাদের সামনে এসেছে।

Advertisements
গানমহানায়িকাসুচিত্রা