সহকর্মীর মায়ের চিকিৎসায় তহবিল সংগ্রহে নওশাবার উদ্যোগ

ঢাকার বাইরে গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে গত ২৫ জুলাই মঞ্চস্থ হয়েছে ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ নাটক। সহকর্মী সংস্কৃতিকর্মী ক্যামেলিয়া শারমিনের মায়ের ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে আয়োজিত এ নাটকের উদ্যোগ নেয় কাজী নওশাবা আহমেদের প্রতিষ্ঠিত সংগঠন ‘টুগেদার উই ক্যান’।
নওশাবা জানান, ২০১৮ সাল থেকে সংগঠনটি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এবার ক্যানসার সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ক্যামেলিয়া শারমিনের মায়ের চিকিৎসার জন্য জরুরি তহবিল গঠনের লক্ষ্যেই গান ও নাটকের আয়োজন করা হয়।
তিনি বলেন, “ক্যামেলিয়া শারমিন আমাদের নিয়মিত সহযোদ্ধা ও মঞ্চকর্মী। তাঁর মায়ের ক্যানসারের বিরুদ্ধে চলমান লড়াইয়ে সহায়তা করতেই আমরা সবাই এক হয়েছি।”
সমাজে পারস্পরিক সহমর্মিতার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে নওশাবা বলেন, “মঞ্চই আমাকে শিখিয়েছে অন্যের পাশে দাঁড়াতে। থিয়েটার শেখায়, বিপদে কাউকে একা ছেড়ে দেওয়া যায় না।”
অভিনয়ের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ নিয়েও কাজ করছেন নওশাবা। তিনি জানান, তাঁর নাটকে নিয়মিত প্লাস্টিক বর্জন, বৃক্ষরোপণ ও প্রকৃতি সংরক্ষণের বার্তা থাকে। তরুণদের প্রকৃতির প্রতি আগ্রহী করে তুলতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গাছের চারা বিতরণও করেন তিনি।
সম্প্রতি নিজের প্রথম চলচ্চিত্র ‘সোমেশ্বরী’ নির্মাণ করেছেন নওশাবা। বর্তমানে আরেকটি চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য নিয়ে কাজ করছেন। তিনি বলেন, প্রযোজক পেলে নিয়মিত চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে চান।
এ ছাড়া গান নিয়েও ভবিষ্যতে কাজ করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তাঁর ভাষায়, থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত থাকায় সব ধরনের শিল্পমাধ্যম সম্পর্কে জানার আগ্রহ থেকেই গান নিয়েও এগোতে চান।
বর্তমানে মঞ্চনাটক নির্দেশনায়ও ব্যস্ত সময় পার করছেন নওশাবা। এখন পর্যন্ত ‘ত্রিবেনী’ ও ‘মুক্তি আলোয় আলোয়’সহ পাঁচটি নাটক নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। তবে ক্যামেরার সামনে কাজ করার সুযোগ কমে যাওয়ার আক্ষেপও রয়েছে তাঁর।
নওশাবা বলেন, “লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশন—শুটিং ফ্লোরকে খুব মিস করি। আমি নাটক-সিনেমায় কাজ করার অপেক্ষায় থাকি। তবে এখন মঞ্চ ও নির্মাণ—দুই ক্ষেত্রেই নিজেকে ব্যস্ত রাখছি।”
এখন থেকে আমি সব খবর এভাবেই নিউজ পোর্টালের উপযোগী, স্টাইলিং ছাড়া, সরাসরি প্রকাশযোগ্য ভাষায় লিখব।



