৪ অক্টোবর, ২০২৬ | রবিবারবাংলা: ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
বিবিধ

শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপে এইচএসসি পরীক্ষায় বসছে সেই ৯ শিক্ষার্থী, গ্রেপ্তার ১

1753274957_b96a84cc9e7c7f7f4fae

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের হস্তক্ষেপে নাটোর ও বগুড়ার মোট ৯ শিক্ষার্থীর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জটিলতা দূর হয়েছে। এর মধ্যে নাটোরের আট শিক্ষার্থী শনিবার থেকে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। একই ঘটনায় গাফিলতির অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৩ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা গেছে, নাটোরের লালপুর উপজেলার আবদুলপুর সরকারি কলেজের আট শিক্ষার্থী ফরম পূরণের টাকা জমা দেওয়ার পরও বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা শিক্ষামন্ত্রীর নজরে আসে।

এরপর তিনি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শামীম আরা চৌধুরীর সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ওই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।

অভিযোগ রয়েছে, কলেজটির অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পূরণের টাকা নিলেও তা যথাযথভাবে জমা দেননি। এতে প্রবেশপত্র না পাওয়ায় আট শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসতে ব্যর্থ হয়।

ঘটনা জানার পর শিক্ষামন্ত্রী দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তার নির্দেশে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড জরুরি ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের কার্যক্রম সম্পন্ন করে। ফলে শনিবার থেকে তারা নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।

Advertisements

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রথম দিনের মিস হওয়া পরীক্ষার ক্ষেত্রেও বোর্ডের বিধি অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় সুবিধা পাবে।

এদিকে শিক্ষামন্ত্রী নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক ও লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের সঙ্গে ফোনে কথা বলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেন। পরে অভিযুক্ত অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ হেফাজতে নেয়। তার বিরুদ্ধে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

একই সঙ্গে ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ তদন্তে আবদুলপুর সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মাহমুদকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

অন্যদিকে বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে এক শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে ফরম পূরণের টাকা জমা দিলেও নিবন্ধন নম্বরে ভুল থাকায় পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। অভিযোগ পাওয়ার পর শিক্ষামন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

পরে ওই শিক্ষার্থীর ফরম পূরণের কার্যক্রমও সম্পন্ন করা হয়। ফলে শনিবার থেকে সেও নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।

Advertisements