দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দেশের বাজারে আবারও কমলো স্বর্ণের দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৬৩ টাকা।
শনিবার (২৩ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন এ দাম শনিবার সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিন সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) ভালো মানের বা ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। তবে মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে আবারও সেই পরিমাণ দাম কমানো হলো। নতুন মূল্য অনুযায়ী, এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৬৩ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ২ হাজার ৯৯ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা।
স্বর্ণের দাম কমানো হলেও রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি বলে জানিয়েছে বাজুস।
বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম রয়েছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৪৪১ টাকা।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৬৮ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৩২ দফা কমানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। ওই বছরে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।



