দেশে কবে আসবে কারিনার মরদেহ?
বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের অকাল মৃত্যুতে স্তব্ধ সহকর্মী ও ভক্তরা। লিভারের জটি...

বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের অকাল মৃত্যুতে স্তব্ধ সহকর্মী ও ভক্তরা। লিভারের জটিলতায় ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া এই তারকার মরদেহ রোববার (১৭ এপ্রিল) দেশে আনা হবে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তার বাবা, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ।
সব প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় আজ শনিবার (১৬ এপ্রিল) কারিনার মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান তিনি।
কায়সার হামিদ গণমাধ্যমকে বলেন, প্রিজার্ভ সংক্রান্ত কিছু বিষয় আছে। সব প্রক্রিয়া শেষে আজ বেলা ৩টার ফ্লাইট ধরা সম্ভব নয়, তাই আগামীকাল রোববারের ফ্লাইটে চেন্নাই থেকে ঢাকায় আসবে ওরা। তিনি জানান, আগামীকাল দুপুরে কারিনার মরদেহ দেশে পৌঁছাবে। এরপর বাদ আসর বনানী ডিওএইচএস জামে মসজিদে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
কায়সার হামিদ আরও বলেন, সোমবার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় তাকে দাফন করা হবে।
বেশ কয়েকদিন লিভারের জটিলতায় ভুগে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে ভারতের চেন্নাইয়ের ভেলোর খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান কারিনা কায়সার। তার বাবা জানান, ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার সময় হঠাৎ ওর প্রেশার অনেক নিচে নেমে গেলে আর বাঁচানো সম্ভব হয়ে ওঠেনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে সাধারণ জ্বরে আক্রান্ত হলেও পরে কারিনার শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস এ এবং ই-জনিত জটিলতায় তার লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চেন্নাই নেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসকেরা ফুসফুসের সংক্রমণের চিকিৎসা ও লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি।


