বাংলাদেশের নারী ও জীবনধারার ম্যাগাজিনরবিবার, ১০ মে, ২০২৬
জীবনযাপন

আজ দিনটি কাটুক মায়ের মনের মতো

মা মানেই নিরাপদ আশ্রয়স্থল। জীবনের এই বিশেষ মানুষটিকে আমরা বছরের প্রতিটি দিনই ভালোবাসি। কিন্তু চাইলেই কি রোজ রোজ মাকে পছন্দের উপহারটি দেওয়া যায়? অথবা চ...

mather-day-moxxemlja8fn1si-20260509115756

মা মানেই নিরাপদ আশ্রয়স্থল। জীবনের এই বিশেষ মানুষটিকে আমরা বছরের প্রতিটি দিনই ভালোবাসি। কিন্তু চাইলেই কি রোজ রোজ মাকে পছন্দের উপহারটি দেওয়া যায়? অথবা চাইলে রোজ মাকে নিয়ে বাইরে ঘুরতে বা মায়ের সঙ্গে বসে জমিয়ে গল্পও করা যায় না। ব্যস্ত জীবনে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কেটে যায় কর্মস্থলেই। তবে মে মাসের দ্বিতীয় রোববার, অর্থাৎ মা দিবসের কল্যাণে বছরে এক দিন অন্তত মায়ের জন্য মন ভরে কিছু করার উপায় থাকে। মাকে চমকে দেওয়ার জন্য তার পছন্দের জিনিসটি উপহার তো দেওয়াই যায়, সঙ্গে রান্না করা যেতে পারে তার পছন্দের খাবারটি। এ ছাড়াও মাকে স্পাতে নিয়ে যেতে পারেন বা একসঙ্গে সুন্দর সময় কাটাতে পারেন। মাকে এই দিনটিতে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিতে আর কী কী করতে পারেন তার একটি পরিকল্পনা দেখে নিন

মায়ের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করুন

পারিবারিক ডিনারের আয়োজন: রাতের বেলার খাবারটি নিজ হাতে রান্না করুন। মায়ের প্রিয় পদ জানা থাকলে সেগুলোই রাঁধুন। তা না পারলে শহরের ভালো কোনো রেস্তোরাঁয় নিয়ে যান মাকে। পরিবারের সবাই মিলে একসঙ্গে খান ও জমিয়ে গল্প করুন। মায়ের সময়টাও দারুণ কাটবে।

বিকেলের চা পর্ব: ছাদে কি মায়ের ছোট্ট বাগান রয়েছে অথবা বারান্দায়? তাহলে বিকেলে চা পর্বটা এখানেই সারুন মায়ের সঙ্গে। ফেইরি লাইট দিয়ে বারান্দাটা একটু সাজিয়েও নিতে পারেন। চায়ের সঙ্গে রাখতে পারেন ঘরে তৈরি করা কুকি বা কেক এবং অন্যান্য নাশতা। এই অজুহাতে মাকে নতুন চায়ের কাপসেট অথবা মগ উপহার দিন।

মায়ের একটু বাড়তি যত্ন নিন

স্পাতে বা ঘরেই মায়ের যত্ন নিন: এই দিন হাতে সময় নিয়ে শহরের ভালো কোনো স্পা সেন্টারে নিয়ে যেতে পারেন মাকে। শরীর রিল্যাক্স করে এমন ম্যাসাজ, ফেসিয়াল বা স্যালন ট্রিটমেন্ট মাকে অনেকটা আরাম দেবে। মা যদি বাইরে যেত না চান, তাহলে বাড়িতে নিজের হাতেই মায়ের পেডিকিউর-মেনিকিউর করে দিন। চুলে অয়েল ম্যাসাজ করে দিন। পারলে একটা রিল্যাক্স বাথের ব্যবস্থা করুন। এই বিশেষ যত্নটি মায়ের ভালো লাগবেই লাগবে।

নিজের হাতে উপহার তৈরি করুন


হাতে লেখা চিঠি: সময় নিয়ে মাকে একটি আন্তরিক চিঠি লিখুন, যেখানে তার সম্পর্কে আপনার ভালো লাগা ও প্রশংসার বিষয়গুলো উল্লেখ থাকবে।

নিজের পছন্দমতো ফটো অ্যালবাম তৈরি করুন: এই ডিজিটাল যুগে আপনার প্রিয় পারিবারিক স্মৃতিগুলোর একটি ফিজিক্যাল ফটো অ্যালবাম বা প্রিন্টেড ফটোবুক একটি সুন্দর ও মূল্যবান স্মৃতিচিহ্ন হয়ে উঠতে পারে।

আরও যা করতে পারেন


কেনাকাটা করুন: নিজের হাতে কিছু তৈরি করে দিতে না পারলে ভালো ব্র‍্যান্ড দেখে সেখান থেকে মায়ের পছন্দের পোশাক, গয়না বা পারফিউম উপহার হিসেবে নিতে পারেন। এখানে দামের চেয়ে মায়ের রুচি ও উপহারের গুণগত মানের দিকে নজর দেওয়াটা হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

বেড়াতে নিয়ে যান: যাব যাব করে যাওয়া হচ্ছে না, এমন কোনো স্থানে মাকে এদিন নিয়ে যান; তা হোক কোনো আত্মীয়ের বাড়ি বা কোনো বিশেষ স্থান। একটা দিন হোক না মায়ের মনের মতো।

আয়োজনজীবনযাপনমা