বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনবৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
বিবিধ

আপিলেও বাতিল মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র

ncp

সোমবার সকাল ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মনিরা শারমিনের আপিল শুনানি শেষে বাতিল বহাল সিদ্ধান্ত জানানো হয়। নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার সাংবাদিকদের বলেন, শুনানিতে মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেওয়ার মতো কোনো কারণ খুঁজে পায়নি ইসি। আপিল শুনানিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ চার কমিশনার উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ২৩ এপ্রিল রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। কারণ হিসেবে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ অনুযায়ী, সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের তিন বছর পূর্ণ না হওয়ায় তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্য নন। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রোববার আপিল করেন মনিরা শারমিন।

মনিরা শারমিন ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে কৃষি ব্যাংক থেকে পদত্যাগ করেন। এর আগে, ওই বছরের মার্চে তিনি এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পান। সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার মাত্র ৫ মাসের মধ্যেই তিনি সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়ন নেন।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবিধিবদ্ধ বিশেষায়িত ব্যাংক।

গত ২২ এপ্রিল জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ১৩ প্রার্থীর মধ্যে ১২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন আয়োজন করা হয় জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী। এই আইনের ২৯ ধারায় বলা আছে, সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচনের ক্ষেত্রে অন্যান্য বিধিমালার জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অধীনে প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী হবে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২ (১) (চ) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য হবেন যদি তিনি প্রজাতন্ত্রের বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছেন বা অবসর নিয়েছেন এবং এই পদত্যাগ ও অবসর গ্রহণ যদি তিন বছর অতিবাহিত না হয়।

বাতিলমনোনয়নপত্রসংরক্ষিত নারী আসন