নিজের বাল্যবিবাহ ঠেকানো সেই শিক্ষার্থী পেল ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা

পিরোজপুরের জিয়ানগরে বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা পেতে থানায় আশ্রয় নেওয়া এসএসসি পরীক্ষার্থী তহমিনা আক্তারকে ‘কন্যা সাহসিকতার’ সম্মাননা স্মারক দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
বুধবার (২২ এপ্রিল) পিরোজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদ তাকে ‘কন্যা সাহসিকতার’ সম্মাননা স্মারক, সার্টিফিকেট ও তার পড়াশোনা চালিয়ে নেওয়ার জন্য আর্থিক অনুদান দেন।
তহমিনা সরকারি সেতারা স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী। সাহসি তহমিনা আক্তার থানা পুলিশের সহায়তা নিয়ে নিজের বিয়ে ঠেকিয়ে পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করায় পিরোজপুর জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে পেলন কন্যা সাহসিকা সম্মাননা স্মারক। তার এই অদম্য ইচ্ছার কারণে তাকে দেওয়া হয়েছে সার্টিফিকেট ও পড়ালেখা চালিয়ে নেওয়ার জন্য আর্থিক সহায়তা।
তহমিনা আক্তার জিয়ানগর উপজেলার ৪নম্বর ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের ১নম্বর চাড়াখালী ওয়ার্ডের বাসিন্দা আলম হাওলাদারের কন্যা।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, অদম্য সাহসি নারী শিক্ষার্থী তহমিনা আক্তার যে সাহসিকতার পরিচয় দেখিয়েছে তা দেখে আমরা মুগ্ধ । ওর কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে । তহমিনাকে সম্মাননা দিয়ে আমরা আনন্দিত ।
উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল নিজের বিয়ে ঠেকাতে জিয়ানগর থানায় আশ্রয় নেয় এসএসসি পরীক্ষার্থী তহমিনা আক্তার । পরে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহায়তায় বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পান তিনি। এ ঘটনায় দ্য ডেল্টা লেন্স সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।



