বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনবুধবার, ২০ মে, ২০২৬
বিবিধ

স্ত্রীকে ফেরত পেতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ বাংলাদেশি যুবক

7604ab912e1d655f87aefc251ea0b662

বাংলাদেশের তরুণ-তরুণী ( মমি সাহা,অরিজিৎ সরকার) প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন। তবে সেই বিয়ে মেনে নেয়নি তরুণীর পরিবার। বিয়ের মাত্র এক মাসের মাথায় মেয়েকে জোর করে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর স্ত্রীকে ফিরে পেতে কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন অরিজিৎ সরকার।

পেশায় ব্যবসায়ী অরিজিৎ সরকার ঢাকার নরসিংদী সদরের বাসিন্দা। একই এলাকার বাসিন্দা তার স্ত্রী মমি সাহা। দুজনের মধ্যে প্রায় দুই বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মমির পরিবার এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি। পরে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পরিবারের অমতেই বিয়ে করেন তারা। অরিজিৎ – এর অভিযোগ, দুই বছর প্রেমের পর মমির পরিবার সম্পর্ক মেনে নিচ্ছিল না, তাই বাধ্য হয়ে তারা পালিয়ে বিয়ে করে। কিন্তু গত বছরের অক্টোবরে মমির বাবা-মা জোর করে তাকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আত্মীয়ের বাসায় পাঠিয়ে দেয়। কলকাতার কাছে বিরাটি এলাকায় পলি সাহা ও উত্তম সাহা নামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে জোর করে তাকে আটকে রাখা হয়। সেখানে প্রায় পনের দিন তার সঙ্গে যোগাযোগ হয়। এরপর থেকে কোনো খোঁজ পাননি স্ত্রীর। সেজন্য কলকাতায় এসে স্ত্রীর খোঁজ করছেন তিনি। অরিজিৎ ভারতীয় ভিসা সংগ্রহ করে ৩ জানুয়ারি ভারতে আসেন। ৪ জানুয়ারি বিরাটিতে গিয়ে স্ত্রীকে আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেখানে গেলে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

অরিজিৎ বলেন, ৩ জানুয়ারি ভারতে আসি আমি। পরের দিন বিরাটিতে স্ত্রীকে আনতে যাই। কিন্তু সেখানে তাদের পরিবারের লোকজন আমাকে বেধড়ক মারধর করে। এরপর নিমতা থানায় একাধিকবার যোগাযোগ করি। কিন্তু পুলিশ আমার অভিযোগ নেয়নি। এরপর পরে আইনজীবী মুকুল বিশ্বাসের সহায়তায় নিমতা থানার আইসির সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। তবুও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। এমনকি এফআইআরও করেনি পুলিশ। তাই স্ত্রীকে ফিরে পেতে সোমবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানান অরিজিৎ। তিনি বলেন, এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। আগামী ১৭ মার্চ মামলার শুনানি হবে।

কলকাতাপ্রেমের সম্পর্কবাংলাদেশস্ত্রীহাইকোর্ট