৮ নভেম্বর, ২০২৬ | রবিবারবাংলা: ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
উদ্যোক্তার খোঁজে

গুলশানে বর্ণিল আয়োজনে অনুষ্ঠিত হল ‘নাইট বাজার’

NightBazar GS12

রাজধানীর গুলশানের বাসিন্দাদের সংগঠন গুলশান সোসাইটির উদ্যোগে বর্ণিল আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘নাইট বাজার ২০২৬’।

গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাতে শুরু হওয়া এ বাজার চলে শনিবার গভীর রাত পর্যন্ত। তিনদিনব্যাপী এই আয়োজনে প্রতিদিন সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত তিনটা পর্যন্ত চলে কেনাকাটা।

গুলশানের শহীদ ডা. ফজলে রাব্বি পার্কে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, গুলশান সোসাইটির সভাপতি ওমর সাদাতসহ অন্য অতিথিরা ফিতা কেটে অস্থায়ী এ বাজারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় গুলশান সোসাইটির শীর্ষ নেতা ও বাজারে অংশ নেওয়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৫৫টি প্রতিষ্ঠানের স্টল ও দোকান নিয়ে শুরু হওয়া এ বাজারে স্থানীয় ব্র্যান্ড, খাবারের স্টল, লাইফস্টাইলসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য প্রদর্শিত হয়। পাশাপাশি গুলশান সোসাইটির কার্যক্রম তুলে ধরা এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করার আয়োজনও ছিল এতে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, এসব উদ্যোগ সব সোসাইটিতে থাকলে ভালো হতো। সোসাইটিগুলোর মধ্যে ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠত। গুলশান সোসাইটির মতো অন্য সোসাইটিগুলোকেও এ ধরনের আয়োজন করার আহ্বান জানিয়ে প্রশাসক বলেন, এ ধরনের আয়োজনে সিটি করপোরেশনের সমর্থন থাকবে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যায় নাইট বাজারে গিয়ে দেখা যায়, শহীদ ডা. ফজলে রাব্বি পার্কের বিভিন্ন অংশে ভিন্ন ভিন্ন পণ্যের সমাহার সাজানো হয়েছে। একদিকে রয়েছে স্কিন কেয়ার ও হেয়ার কেয়ার প্রোডাক্ট ও জুয়েলারি। অন্য আরেকদিকে ঘরসজ্জার জিনিস বা ‘হোম ডেকোর আইটেম’, বিভিন্নধরনের ইনডোর প্ল্যান্ট রয়েছে। এছাড়া শাড়ি, পাঞ্জাবি, সালওয়ার-কামিজের আলাদা কর্নার রয়েছে। এছাড়া বটগাছের নিচে বসেছে বইয়ের পসরা। অন্য এক অংশে বিভিন্ন খাবার-দাবার ও ফাস্টফুডের স্টল বসেছে। দর্শনার্থীরা নাইট বাজারে কেনাকাটার পাশাপাশি ঘুরে ঘুরে ছবি তুলছেন।

Advertisements

এবারের নাইট বাজারের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে ছিল মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে তারা এ আয়োজনের সহযোগী হয়েছেন।

সোসাইটির নানা সমস্যার সমাধানের চেষ্টার পাশাপাশি সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে আসার প্রয়াস থেকে এমন আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান গুলশান সোসাইটির সভাপতি ওমর সাদাত। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমরা এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে বাসিন্দাদের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে আনার চেষ্টা করছি।’

Advertisements