Skip to content

১০ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার | ২৬শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অভিনন্দন বাঘিনীরা

নারীদের অগ্রগতির যাত্রায় খুলে গেলো আরেকটি সাফল্যের দ্বার। সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসরেই চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের নারীরা। কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে নেপালকে ৩-০ গোলের ব্যবধানে উড়িয়ে শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। অভিনন্দন বাংলার বাঘিনীরা।

আমাদের দেশে এখনো নারীদের অবলা ভাবে পুরুষতন্ত্র। পুরুষতান্ত্রিক এই সমাজে নারীদের অবমূল্যায়নই হয় বেশি। নারী শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে কর্মজীবন বা সংসার-জীবন, সবখানেই পুরুষতন্ত্রের কাঁটায় বিদ্ধ। নারীর জীবনের প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিবে পুরুষ; এটাই যেন চিরায়ত নিয়ম। নারী পুরুষতন্ত্রের শিকলে আবদ্ধ। কিন্তু, এখন নারীরা সেই শিকল ভেঙে সমাজে নিজের জায়গা করে নিচ্ছে। মেট্রোরেলের প্রথম নারী চালক,সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ জয়, ব্যাংকের উচ্চপদে আসীন নারী বা এভারেস্ট জয়-এই বিষয়গুলো যেন তার প্রমান।

পুরুষতন্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী, নারীদের ধ্যান-জ্ঞান শুধু সংসার। এর বাইরে নারী চিন্তা করবে কেন? নারী কেন ক্রিকেট-ফুটবল খেলবে? নারী কেন উচ্চশিক্ষার জন্য দেশের বাইরে যাবে? নারী কেন পুরুষদের আদেশ দিবে? এই সব প্রশ্নের উত্তর- নারী এখন আর বন্দি জীবন চায় না। মুক্ত পাখির মত জীবন কাটাতে চায়। নারী চায়, তার যোগ্যতা দিয়ে স্বাবলম্বী হতে।

বর্তমানে, শিক্ষাঙ্গন থেকে ক্রীড়াঙ্গন- সব জায়গায় নারীর সাফল্যের জয়গান। নারীরা উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে, বিভিন্ন গবেষনাগারে কাজ করছে। ক্রীড়াঙ্গনেও পিছিয়ে নেই নারী। সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলার নারীদের জয় যেন তার প্রমাণ। এর আগেও ক্রিকেট, দাবা বা ফুটবলেও রয়েছে নারীদের অর্জন। আর নারীদের অর্জনেই ভাঙছে পুরুষতান্ত্রিক মনোভাবের শিকল। সফল এই নারীরাই অন্যদের অনুপ্রেরণা। যারা পুরুষতন্ত্রের থাবায় আবদ্ধ, তাদের সাহস জোগাবে এই নারীরা। আবারও অভিনন্দন বাংলার নারীদের।

ডাউনলোড করুন অনন্যা অ্যাপ