Skip to content

১লা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | শনিবার | ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

করোনা থেকে বাঁচতে শীতের পোশাকে সর্তকতা

করোনার প্রকোপে নিয়মিত জীবন এখন বিপাকে। জীবিকার তাগিদে সবকিছু করতে হলেও শঙ্কা তো থেকেই যায়। এরমধ্যেই শীত চলে এসেছে। করোনার আশঙ্কা যেন আরো বেড়ে গেছে। মানতে হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি। সাবধানতা অবলম্বনে বাইরে থেকে এসে জামাকাপড় থেকে শুরু সব জিনিসপত্র আমরা ধুয়ে নি বা স্যানিটাইজ করে নি। প্রশ্ন হচ্ছে শীতের জামাকাপড়ের ক্ষেত্রে কি করণীয়? রোজকার পোশাকের মতন গরম জামা রোজ ধোঁয়া যায় না। 

কাশি বা হাঁচি থেকে নিঃসৃত ভাইরাস ড্রপলেটের সাহায্যে যেকোনো তলে আটকে থাকে। আর এই ড্রপলেট বা মিউকাস অতিছিদ্রসম্পন্ন তলে বেশিক্ষণ থাকতে পারে না। কারণ ড্রপলেট বা মিউকাস থেকে অতিছিদ্রসম্পন্ন তল সব জলীয় পদার্থ শুষে নেয়। আর ড্রপলেটের পানি ছাড়া এই ভাইরাস বেশিক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে না। 

যেকোনো ধরনের কাপড় বা শীতের পোশাকে  রয়েছে অতিচ্ছিদ্রসম্পন্ন তল। তাই যেকোনো কাপড়েই ভাইরাস বেশিক্ষণ থাকতে পারে না। ভাইরোলজিস্টরা বলছেন, কাপড়ে বড়জোর ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টা পর্যন্ত ভাইরাস থাকে। গরম কাপড়ের জামার ক্ষেত্রেও এই সময় একই। এ ক্ষেত্রে শীতকালে পরার গরম জামা ‍দু সেটই যথেষ্ট। একটা একদিন পরে ২৪ ঘণ্টা পর আবার অন্যটা পরা যাবে।

তবে সতর্কতা মানতে এই গরম জামা ইস্ত্রি করে নিতে পারেন, প্রয়োজনে কড়া রোদে শুকিয়ে নিতে পারেন। গরম তাপমাত্রার সংস্পর্শে ড্রপলেট শুকিয়ে যায়৷ এখন মনে প্রশ্ন আসতে পারে এই ১২-১৩ ঘন্টা পোশাকে ভাইরাস টিকে থাকে এই সময়টা বাসায় কিভাবে মোকাবেলা করবেন? 

এজন্য বাসার একটা নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করে নিন৷ যেখানে বাইরের জামাকাপড় রেখে দেবেন। এবং বাসার নিরাপদ কোনো জিনিসই ঐ স্থানের সংস্পর্শে থাকবে না। তবে এক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে বাইরের জিনিস রাখার ব্যবস্থায় যেন প্লাস্টিক ও ধাতব কিছু না থেকে। কারণ ধাতব ও প্লাস্টিক জাতীয়তাবাদী পদার্থে ভাইরাস ৫ দিন পর্যন্ত টিকে থাকে।