২০২৬ সালের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছাবে: শিক্ষামন্ত্রী

নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই বিতরণ ২০২৭ সাল পর্যন্ত গড়াবে না। চলতি ২০২৬ সালের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে পাঠ্যবইয়ের গুণগত মান নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কোনো আপস করা হবে না বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের সন্তোষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, নতুন বই বিতরণ ২০২৭ সাল পর্যন্ত যাবে না, ২০২৬ সালের মধ্যেই শেষ হবে। শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্মত ও সুন্দর বই তুলে দেওয়া হবে। বইয়ের গুণগত মানের বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।
পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে নতুন বই
শিক্ষাক্রমে নতুন বই সংযোজনের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় চারটি নতুন বই তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ‘সংস্কৃতি ও খেলাধুলা’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দময় শিক্ষা ও ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ বই রয়েছে।
এ ছাড়া জেলা শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দিতে পঞ্চম ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য একটি ঐচ্ছিক বই চালু করা হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের মাওলানা ভাসানীর আদর্শ থেকে শেখার আহ্বান
মাওলানা ভাসানীর জীবন ও আদর্শের গুরুত্ব তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তিনি একজন অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে শিক্ষা নিতে পারেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল-মামুন, টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু, টাঙ্গাইল-৭ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনিসুর রহমান।



