১৮ অক্টোবর, ২০২৬ | রবিবারবাংলা: ২ কার্তিক ১৪৩৩
বিনোদন

স্বামী-স্ত্রী আলাদা দেশে থাকতেই পারেন: ওমর সানী

স্বামী-স্ত্রী আলাদা দেশে থাকতেই পারেন: ওমর সানী

বিনোদন জগতের তারকা দম্পতি অভিনেতা ওমর সানী ও প্রিয়দর্শনী মৌসুমীকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে তর্কবিতর্ক যেন থামছেই না। একের পর এক সমালোচনায় যেন বিদ্ধ হচ্ছেন এ তারকা দম্পতি।

হোটেল ব্যবসায় ব্যস্ততার মাঝেই সেই সমালোচনার জবাব দেন অভিনেতা ওমর সানী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা গুঞ্জন ও সমালোচনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ওমর সানী। তার দাবি, পরিবারকে নিয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে কিছু ব্যক্তি ও পেজ নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছেন। এসব পোস্ট ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে না নিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

সংগৃহীত

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে দাবি করা হয়, ওমর সানী ও মৌসুমীর ছেলে ফারদিন পরিবারের সম্পত্তি নিজের নামে লিখিয়ে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মাকে বাসা থেকে বের করে দিয়েছেন। তবে এই খবরকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন ওমর সানী। তিনি জানান, ফারদিন বর্তমানে দুবাইয়ে এবং মৌসুমী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। যুক্তরাষ্ট্রে তাদের কোনো সম্পত্তিও নেই বলে উল্লেখ করেন এই অভিনেতা।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) মাঠে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন ওমর সানী। তিনি অভিযোগ করেন, তাকে, স্ত্রী মৌসুমী ও সন্তানদের নিয়ে মনগড়া তথ্য ছড়িয়ে পরিবারকে আলোচনার উপকরণ বানানো হচ্ছে। চলচ্চিত্রশিল্পীদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এমন প্রচারণার পাশাপাশি নারী শিল্পীদের অসম্মান করার প্রবণতারও সমালোচনা করেন তিনি।

ক্ষোভ প্রকাশ করে ওমর সানী বলেন, ‘আমাদের ক্যাশ করে কয় টাকা কামাই করবি বাবা তোরা? কী লাভ? এই টাকা কে খাবে শিয়াল-কুকুরে খাবে।’ পরিবারকে নিয়ে এ ধরনের প্রচারণার কারণে সামাজিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে বলেও জানান তিনি। বিষয়টি নিয়ে তার ছেলে ফারদিনও উদ্বিগ্ন।

ওমর সানী জানান, এ বিষয়ে ছেলের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ফারদিন। স্ত্রী মৌসুমীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অযাচিত আলোচনা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার বউ আমার টেনশন না—আপনাদের টেনশন। স্বামী-স্ত্রী আলাদা দেশে থাকতেই পারেন।’

Advertisements

তার ভাষ্য, স্বামী-স্ত্রী ভিন্ন দেশে অবস্থান করলেই তাদের সম্পর্ক কিংবা পারিবারিক পরিস্থিতি নিয়ে ভিত্তিহীন গল্প ছড়ানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার বন্ধ করতেই তিনি এই প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

Advertisements