এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ নারী দলের প্রতিপক্ষ তিনবারের স্বর্ণজয়ী উত্তর কোরিয়া

আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর জাপানের আইচি-নাগোয়া শহরে পর্দা উঠবে ২০তম এশিয়ান গেমসের। এবারের আসরে দ্বিতীয়বারের মতো অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। বৃহস্পতিবার নাগোয়া শহরে অনুষ্ঠিত নারী ফুটবল ইভেন্টের ড্রয়ে বাংলাদেশকে রাখা হয়েছে ‘বি’ গ্রুপের। এই গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, তিনবারের স্বর্ণপদকজয়ী উত্তর কোরিয়া এবং মিয়ানমার।

এশিয়ান গেমসে এর আগে মাত্র একবার অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। ২০২২ সালে চীনের হাংজুতে অনুষ্ঠিত আসরে গ্রুপ পর্বে তিনটি ম্যাচ খেলেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সেই আসরে একটি ম্যাচ ড্র করলেও বাকি দুটি ম্যাচে হেরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল বাংলাদেশকে।
তবে এবার বাংলাদেশের সামনে অপেক্ষা করছে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ। ঋতুপর্ণা চাকমা, মোসাম্মত সাগরিকাসহ বাংলাদেশের ফুটবলারদের লড়তে হবে এশিয়ার দুই পরাশক্তি দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দুই দলই দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দিয়ে আসছে।

দক্ষিণ কোরিয়া এশিয়ান গেমসের নারী ফুটবলে নিয়মিত অংশগ্রহণকারী একটি দল। তারা এখন পর্যন্ত ১০টি আসরে অংশ নিয়ে তিনবার ব্রোঞ্জপদক জিতেছে। অন্যদিকে উত্তর কোরিয়া এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে অন্যতম সফল দল। তারা তিনবার স্বর্ণপদক জিতে নিজেদের শক্ত অবস্থান প্রতিষ্ঠা করেছে এবং এবারের আসরেও অন্যতম ফেভারিট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
গ্রুপের চতুর্থ দল মিয়ানমারও এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের মতো মাত্র একবার অংশ নিয়েছে। সেই আসরেও তারা গ্রুপ পর্বের বাধা পেরোতে পারেনি। ফলে অভিজ্ঞতার দিক থেকে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার প্রায় সমপর্যায়ের হলেও দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে দুই দলেরই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হবে।

এবারের এশিয়ান গেমসের নারী ফুটবল ইভেন্টে মোট ১২টি দল অংশ নিচ্ছে। দলগুলোকে ভাগ করা হয়েছে তিনটি গ্রুপে। ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে স্বাগতিক জাপান, চাইনিজ তাইপে, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড। শক্তির বিচারে জাপান এগিয়ে থাকলেও গ্রুপের অন্য তিন দলের মধ্যেও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে ‘সি’ গ্রুপে জায়গা পেয়েছে চীন, ফিলিপাইন, উজবেকিস্তান ও হংকং। এই গ্রুপেও শক্তির ভারসাম্য থাকায় প্রতিটি ম্যাচে জমজমাট প্রতিযোগিতা হওয়ার আশা করা হচ্ছে।



