জাপানের পার্লামেন্টে নারীদের শৌচাগার বাড়ানোর লড়াইয়ে প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি

জাপানের পার্লামেন্টে নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি পেলেও সেই অনুপাতে শৌচাগারের সংখ্যা যথেষ্ট না থাকায় সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে, এবং এবার এ নিয়ে সরাসরি মুখ খুলেছেন প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।
সম্প্রতি প্রায় ৬০ জন নারী সংসদ সদস্য, যার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিও আছেন, পার্লামেন্ট ভবনে নারীদের জন্য পর্যাপ্ত শৌচাগার স্থাপনের দাবিতে একটি আনুষ্ঠানিক আবেদন জমা দিয়েছেন।
এত নারী প্রতিনিধি থাকা সত্ত্বেও পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে শুধু একটি শৌচাগার আছে, যেখানে মাত্র দুইটি কিউবিকল রয়েছে, যা ৭৩ জন নারী আইনপ্রণেতাকে ব্যবহারের জন্য প্রদান করা হয়েছে। অনেক সময় অধিবেশন শুরুর আগেই শৌচাগারের সামনে দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়, যা সমস্যার সৃষ্টি করছে বলে প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।
বিরোধী দলের সংসদ সদস্য ইয়াসুকো কোমিয়ামা বলেছেন, “অধিবেশন শুরুর আগে অনেক নারী সংসদ সদস্যকে শৌচাগারের সামনে দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয়।”
এছাড়া পর্যাপ্ত শৌচাগার না থাকায় অনেক নারী প্রতিনিধিই অধিবেশনের আগে ব্যবহার না করেই অপেক্ষা করেন বলে মন্তব্য এসেছে।
পুরো পার্লামেন্ট ভবনে রয়েছে মোট ৯টি নারী শৌচাগার ও ২২টি কিউবিকল; তবে বিপরীতে পুরুষদের জন্য ১২টি শৌচাগার ও ৬৭টি স্টল ও ইউরিনাল রয়েছে—এটিও অনুপাতে বড় ফারাক সৃষ্টি করছে।
১৯৩৬ সালে নির্মিত এই ডায়েট ভবন তৈরি হওয়ার সময় নারীদের ভোটাধিকারও ছিল না; ১৯৪৫ সালে ভোটাধিকার পেয়ে ১৯৪৬ সালে প্রথম নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন—এতদীর্ঘ পুরোনো নকশা এখনও অনলাইন ভিত্তিক বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে উঠতে পারেনি।
এ নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ায় নিম্নকক্ষের নিয়ম ও প্রশাসন কমিটি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে বলে জানানো হয়েছে।



