বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনবৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
স্পটলাইট

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ

bd

আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় আবারও নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা। দক্ষিণ কোরিয়ার শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও কেএফএফএ আয়োজিত ১৫তম ই-আইকন ওয়ার্ল্ড কনটেস্টে প্রথম স্থান অর্জন করেছে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রায়ীন আর রাদ ও আওসাফ জামান অনম। গত ৮ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার শিক্ষামন্ত্রী তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

প্রতিযোগিতার মূল বিষয় ছিল জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ১৩ নম্বর লক্ষ্য—জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবিলা। এর ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা তৈরি করে ‘ক্লাইমাকর’ নামের একটি স্মার্ট অ্যাপ। তাঁরা দুজনেই ঢাকার সেন্ট জোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

প্রকল্পটির নেতৃত্ব দেন আওসাফ জামান অনম। ডেভেলপার ছিলেন রায়ীন আর রাদ। এবং দিকনির্দেশনা দেন সেন্ট জোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. নাহিয়ান হোসেন।

৩৭ দেশের ১৬১টি প্রকল্পের মধ্যে থেকে সেরা ১৫টি প্রকল্প নির্বাচিত হয়। বাংলাদেশ দল কোরিয়ার একটি দলের সঙ্গে অনলাইনে কাজ চালিয়ে যায়। চূড়ান্ত পর্বে তারা দক্ষিণ কোরিয়ায় গিয়ে সরাসরি উপস্থাপনা ও প্রদর্শনীতে অংশ নেয়। সেখানে তাদের কাজ বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়।

দক্ষিণ কোরিয়ার শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কোরিয়া অ্যাডভান্সড ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (কাইস্ট) অধ্যাপক ড. সানঘে লি বলেন, বাংলাদেশের এই সাফল্য প্রশংসনীয়। তরুণদের এমন উদ্যোগ জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কেএফএফএ’র প্রোগ্রাম ম্যানেজার সো-হি লি বলেন, এ বছর বাংলাদেশের উপস্থাপনা ছিল সবচেয়ে স্পষ্ট ও সুসংগঠিত। যা অন্যান্য বছরের তুলনায় আলাদা।

তারা বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমরা ভীষণ গর্বিত। তবে আমাদের জন্য প্রতিটা ধাপই ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং। অনলাইনে কাজের সময় নানা সমস্যা এলেও দলগত প্রচেষ্টায় তা কাটিয়ে উঠেছি। আমাদের কাজ প্রযুক্তিগত দিক ছাড়াও মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।’