Skip to content

৪ঠা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার | ১৯শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে মাইক্রোসফটের নতুন প্রধান !

জায়েন্ট টেক প্রতিষ্ঠান হিসেবে খ্যাত মাইক্রোসফট বরাবরই সকল দেশেই তাদের সাব ব্রাঞ্চ কিংবা শাখা রেখেছে। ঠিক তেমন ভাবে বাংলাদেশেও তাদের কাজকর্ম পরিচালনায় ব্রাঞ্চ রয়েছে। বাংলাদেশে মাইক্রোসফটের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মোঃ. ইউসুফ ফারুক। তিনি মাইক্রোসফটের শক্তিশালী পার্টনার ইকোসিস্টমে অংশীদারত্বের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, এসএমই, কমিউনিটি ও অন্যান্য খাতের ডিজিটাল রূপান্তরে কাজ করবেন।

 

নবনিযুক্ত মাইক্রোসফট বাংলাদেশের প্রধান মোঃ. ইউসুফ ফারুক বলেন, ‘বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তর ও ক্লাউডসেবা বিস্তৃতির ক্ষেত্রে মাইক্রোসফটের এ চমৎকার যাত্রার সঙ্গে থাকতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। স্মার্ট গভর্ন্যান্সের ভিত্তিতে ডিজিটাল বাংলাদেশের জাতীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নেটওয়ার্ক ও প্রযুক্তি-ক্ষেত্রে অংশীদার এবং কমিউনিটিকে সঙ্গে নিয়ে দেশ, শিল্পখাতের ডিজিটাল রূপান্তরে কাজ করতে আমি উন্মুখ হয়ে আছি। সম্প্রতি তিনি এ নিয়োগ পেয়েছেন বলে প্রতিষ্ঠানের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

 

বাংলাদেশে প্রযুক্তি রূপান্তরে ইউসুফ ফারুকের রয়েছে ১৬ বছরের অভিজ্ঞতা। তিনি ভিএমওয়্যার, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশন ও সিমবায়োসিস বাংলাদেশের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করেছেন। ভারতের ব্যাঙ্গালোর ইউনিভার্সিটি থেকে তিনি কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

 

এ বিষয়ে মাইক্রোসফট এশিয়া প্যাসিফিকের সাউথইস্ট এশিয়া নিউ মার্কেটসের জেনারেল ম্যানেজার সুক হুন চিয়াহ বলেন, এক্ষেত্রে ইউসুপ ফারুকের বিস্তৃত অভিজ্ঞতা দেশে ক্লাউড সেবাগ্রহণ, দক্ষতা বৃদ্ধি ও ক্লাউডের মাধ্যমে ইতিবাচক রূপান্তর নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমি মনে করি। ধারাবাহিক উদ্ভাবনে পরিপূর্ণ একটি বাজারে কীভাবে তিনি ও তার টিম একসঙ্গে অংশীদারত্ব করবেন তা ভেবে আমি উচ্ছ্বসিত।’

 

বাংলাদেশ এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির একটি দেশ। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে। এ লক্ষ্য অর্জনে  অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে আইটি-নির্ভর পাবলিক সার্ভিসকে গতিশীল করা ও দেশের ক্লাউড সেবার ব্যবহার বাড়ানো। মাইক্রোসফটের নজর বিশাল জনগোষ্ঠী সম্বলিত রাষ্ট্রগুলোর দিকে। বিচক্ষণ এবং দক্ষ কারিগরি শক্তি সম্বলিত মানুষের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরই  প্রতিষ্ঠানটির প্রধানের মুল লক্ষ্য।