Skip to content

২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ | সোমবার | ১১ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শাস্তিতে নয়, সন্তানকে বড় করুন বন্ধু সুলভ আচরণে

সন্তান জন্মাবার পরেই নতুন অধ্যায় শুরু হয় বাবা-মায়ের। শুরু হয় অভিভাবক অধ্যায়ের। বেড়ে যায় দায়িত্ব ও কর্তব্য। কোমলমতি শিশুরা বাড়ির সৌন্দর্য। তাদের দুরন্তপনার বাড়ি হয়ে উঠে মুখরিত। এসময় সন্তানের বড় করে তোলার পাশাপাশি বাবা-মাকে সন্তানের বন্ধু হয়ে উঠা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

হতে হবে বন্ধু। বন্ধুত্বটা হতে এমন যাতে শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের সময় জটিলতাগুলো নিয়ে আলোচনা করতে পারে। আর এই সম্পর্কটা গড়ে তুলতে হবে ছোট বেলা থেকেই।

 

এই সময়টাতে মায়ের থেকে ভালো পরামর্শদাতা কেউ হতে পারেন না। যদি ছোট বেলা থেকেই বন্ধুত্ব গড়ে না তোলেন সন্তানের সঙ্গে তবে আপনার কাছ থেকে লুকাতে শুরু করবে আপনার মেয়ে। নানা ধরণের ভ্রান্তিকর তথ্যও আয়ত্ত করে ফেলতে পারে। এতে তারই নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দেবে।

 

ভুল তথ্যের কারণে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। কারণ সে যার সঙ্গে আলোচনা করবে সে তার বন্ধু। সেই বন্ধুও সেই শারীরিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তার কাছেও সঠিক তথ্য থাকলেও হতে পারে তা অতিরঞ্জিত। এই তথ্য শূন্যতা ভুল তথ্যের কারণে ভয়ংকর ক্ষতির মুখে পড়তে পারে সন্তান।

 

সব সময় চেষ্টা করবেন সন্তানের প্রশংসা করবার। আর সন্তানরা ভুল করবে এটাই স্বাভাবিক। ভুল করবে আর আপনি ভুলগুলো ধরিয়ে দেবেন জন্যই আপনি অভিভাবক। সন্তানদের ভুলগুলো ধরিয়ে দিয়ে সুন্দরভাবে আলোচনা করেই দেখেন সে আর সেই ভুল করবে না। আর তা না করে যদি উচ্চ বাচ্য করেন তবে জেদ চেপে যাবে তার মনে। মানসিক শক্তি হারিয়ে ফেলবে সে। আর যতো বড় হবে ততো অবাধ্য হতে থাকবে। সেই সঙ্গে সম্ভাবনা থাকবে অপরাধপ্রবণ কাজের পাশাপাশি মাদকাসক্ত হবারও।

 

তাদের বন্ধু হয়ে উঠে তাহলে এসব সন্তানদের বিপথগামী হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যায়।

 

 

সন্তানের ভালো করতে গিয়ে তার ক্ষতি ডেকে আনছেন না তো! সন্তানের হাত ধরাটা যেমন জরুরি ঠিক তেমনি শক্ত করে ধরবেন না। এতে হারিয়ে যাবে সৃজনশীলতা।

 

সন্তান ভুল করলে অবশ্যই তাকে শাসন করতে হবে। কিন্তু সেই শাসনটা যেন মাত্রাতিরিক্ত না হয়। তার সামনে ভালো খারাপের পার্থক্য তুলে ধরুন। পরিবারের সবাই মিলে সময় কাটান। সন্তানকে ছোট বলে নিজেদের থেকে দূরে রাখবেন না। সর্বোপরি মনে রাখতে হবে আপনার ইচ্ছা সন্তানের ওপর চাপিয়ে দেবেন না। আমার ছেলে বা মেয়েকে ডাক্তার বানাবো না বলে আপনার সন্তান কী হতে চায় তার প্রতি গুরুত্ব দিন।