২৭ অক্টোবর, ২০২৬ | মঙ্গলবারবাংলা: ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রূপ-সৌন্দর্য

শীতে ত্বকের যত্নে মেনে চলুন চার ধাপের নিয়ম

Skin-Center-of-South-Miami-Facials-and-Skin-Care

শীতের শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বক হয়ে উঠতে পারে রুক্ষ ও খসখসে। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে অনেকেই ব্যবহার করেন নানা ধরনের প্রসাধনী। তবে সুস্থ ও সতেজ ত্বকের জন্য প্রয়োজন নেই অনেক পণ্যের। নিয়মিত কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করেই নেওয়া যায় ত্বকের প্রাথমিক যত্ন।

রূপবিশেষজ্ঞদের মতে, ত্বকের যত্নে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ‘স্কিনিমালিজম’ বা অল্প উপকরণে রূপচর্চার ধারণা। এ পদ্ধতিতে ত্বকের প্রয়োজন অনুযায়ী সীমিত কিছু পণ্য ব্যবহার করা হয়।

ত্বকের যত্নে চার ধাপ

ত্বকের প্রাথমিক যত্নে অনুসরণ করা যায় ‘সি-টি-এম-এল’ পদ্ধতি। এর প্রথম ধাপ ক্লিনজিং বা ত্বক পরিষ্কার করা। মৃদু ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকের ময়লা দূর হয়। শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিষ্কার করা এড়িয়ে চলা ভালো।

দ্বিতীয় ধাপ টোনিং। তবে টোনার ব্যবহার বাধ্যতামূলক নয়। ত্বকের ধরন অনুযায়ী অ্যালকোহলমুক্ত ও কোমল টোনার বেছে নেওয়া যেতে পারে।

তৃতীয় ধাপ ময়েশ্চারাইজিং। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে শুষ্ক ত্বকে ক্রিমভিত্তিক এবং তৈলাক্ত ত্বকে হালকা, নন-কমেডোজেনিক ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে।

Advertisements

চতুর্থ ধাপ ঠোঁটের যত্ন। শীতের শুষ্কতায় ঠোঁট ফেটে যাওয়া রোধে নিয়মিত লিপবাম ব্যবহার উপকারী।

ত্বকের ধরন বুঝে পণ্য বাছাই

তৈলাক্ত ও ব্রণপ্রবণ ত্বকে হালকা, সুগন্ধিমুক্ত এবং রোমকূপ বন্ধ করে না—এমন ময়েশ্চারাইজার বেছে নেওয়া ভালো। শুষ্ক ত্বকের জন্য তুলনামূলক ঘন ময়েশ্চারাইজার উপকারী। মিশ্র ত্বকে এমন পণ্য বেছে নেওয়া উচিত, যা ত্বকের শুষ্ক অংশে আর্দ্রতা জোগায়, আবার তৈলাক্ত অংশে অতিরিক্ত ভারী লাগে না।

শীতেও সানস্ক্রিন জরুরি

শীতকালে রোদ কম থাকলেও অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই দিনের বেলায় বাইরে যাওয়ার আগে এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি মাত্রার ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী আবার লাগাতে হবে।

আগেভাগেই শুরু করুন যত্ন

শীত পুরোপুরি শুরু হওয়ার আগেই ত্বকের যত্নে নিয়মিত হওয়া ভালো। অতিরিক্ত প্রসাধনী ব্যবহার না করে কোমল ক্লিনজার, উপযুক্ত ময়েশ্চারাইজার, সানস্ক্রিন ও লিপবাম ব্যবহার করলেই ত্বকের প্রাথমিক যত্ন নেওয়া সম্ভব। ত্বকে জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি দেখা দিলে নতুন পণ্য ব্যবহার বন্ধ করে প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Advertisements