ফুচকা তৈরির টেবিলে কুকুরের পায়ের ছাপ, দোকানির এক বছরের কারাদণ্ড

বগুড়ার একটি ফুচকার দোকানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি এবং নিষিদ্ধ রাসায়নিক হাইড্রোজ ব্যবহারের অভিযোগে দোকানমালিককে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে বগুড়া শহরের নওয়াববাড়ি সড়কে এ অভিযান চালানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম সাকিব হোসেন। তিনি নওয়াববাড়ি সড়কে অবস্থিত ‘মুন কাচ্চি’ ও ‘মুন ফুচকা’ নামের প্রতিষ্ঠানের মালিক।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, দোকানটিতে ফুচকা তৈরির টেবিল ছিল অপরিচ্ছন্ন। টেবিলের বিভিন্ন স্থানে কাদা ও ময়লার পাশাপাশি কুকুরের পায়ের ছাপও দেখা যায়। এমন পরিবেশেই তৈরি হচ্ছিল ফুচকা। এ ছাড়া ফুচকা তৈরিতে নিষিদ্ধ রাসায়নিক হাইড্রোজ ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে অভিযানে উঠে আসে।
বগুড়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমাদের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ৩৩ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে সাকিব হোসেনকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বগুড়ার কর্মকর্তা মো. রাসেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সকালে নগরীর ফতেহ আলী বাজারের ফটক এলাকায় ‘ঘোষ মিষ্টান্ন ও দই’ কারখানায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে দই তৈরি এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) সনদ না থাকায় কারখানার মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ওই অভিযান শেষে ফেরার পথে ‘মুন কাচ্চি’ ও ‘মুন ফুচকা’ প্রতিষ্ঠানে যান ভ্রাম্যমাণ আদালতের সদস্যরা। সেখানে ফুচকা তৈরির টেবিলে কুকুরের পায়ের ছাপ, কাদা ও ময়লা দেখতে পান তাঁরা। অপরাধ স্বীকার করায় দোকানমালিককে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
সূত্র: প্রথম আলো



