বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনবুধবার, ২৭ মে, ২০২৬
বিবিধ

আজ বাংলাদেশে ঈদ পালিত হচ্ছে

WhatsApp Image 2026-05-27 at 1.05.36 PM

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চাঁদপুরের প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামের মুসল্লিরা আজ পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপন করেছেন। বুধবার (২৭ মে) সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯২৮ সালে চাঁদপুরের সাদ্রা দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইসহাক (রহ.) চাঁদ দেখার ভিত্তিতে আগাম রোজা ও ঈদ পালনের প্রথা চালু করেন। এরপর থেকে প্রায় এক শতাব্দী ধরে তাঁর অনুসারীরা সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে আসছেন।

এ বছর হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলীপুর, ভোলাচোঁ, ঝাকনি, সোনাচোঁ, প্রতাপপুর ও সুরঙ্গচাইল গ্রামে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুরঙ্গচাউল, কাইতাড়া, উভারামপুর, টোরামুন্সিরহাট এবং মতলব উত্তর উপজেলার পাঁচানী, বাহেরচর পাঁচানী, আইটাদি পাঁচানী ও দেওয়ানকান্দিসহ অর্ধশতাধিক গ্রামের মানুষ আজ ঈদ উদ্‌যাপনে অংশ নেন।

জানা গেছে, বুধবার সকালে সমেশপুর ঈদগাহ মাঠ, সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা মাঠ ও সাদ্রা দরবার শরীফ মাঠসহ মোট ১২টি ঈদগাহে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়া জেলার বিভিন্ন এলাকার অন্তত ১৮টি মসজিদেও ঈদের নামাজ আদায় করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে উত্তর সাদ্রা বায়তুল সালাম জামে মসজিদ, দক্ষিণ সাদ্রা জামে মসজিদ, উত্তর অলিপুর বেপারী বাড়ি জামে মসজিদ, দক্ষিণ বলাখাল হাজী বাড়ি মসজিদ, পাঁচানী দরগাহ মসজিদসহ আরও বেশ কয়েকটি মসজিদ।

সব মিলিয়ে চাঁদপুর জেলার ৩০টি নির্ধারিত স্থান এবং বিভিন্ন ছোট-বড় জামাতে ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি দেন।

2026আজঈদচাঁদপুরপালিত হচ্ছেবাংলাদেশ