২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | শনিবারবাংলা: ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
নারী

স্থাপত্যে একুশে পদক পাচ্ছেন স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম

marina_tabassum2 (1)

স্থাপত্যে একুশে পদক পাচ্ছেন, অনন্যা শীর্ষ দশ পুরস্কার (২০০৪) জয়ী স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম।  আজ বৃহস্পতিবার (৫, ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ২০২৬ সালের জন্য ‘একুশে পদক’ প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেছেন।

দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদকপ্রাপ্তরা হলেন – ফরিদা আক্তার ববিতা (চলচ্চিত্র), অধ্যাপক মো. আব্দুস সাত্তার (চারুকলা), মেরিনা তাবাসসুম (স্থাপত্য), আইয়ুব বাচ্চু (সংগীত), ওয়ারফেইজ (সঙ্গীতদল), অর্থি আহমেদ (নৃত্য), ইসলাম উদ্দিন পালাকার (নাট্যকলা), শফিক রেহমান (সাংবাদিকতা), অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার (শিক্ষা) ও তেজস হালদার যস (ভাস্কর্য)।

পরিচয়ে এবং পেশায় মেরিনা তাবাসসুম বাংলাদেশের একজন স্থপতি।  তিনি ‘মেরিনা তাবাসসুম আর্কিটেক্টস’ – এর প্রধান স্থপতি।  ১৯৯৫ সালে স্নাতক পাশের পর মেরিনা তাবাসুসুম স্থপতি কাশেফ চৌধুরীর সঙ্গে আরবানা নামের একটি আর্কিটেক্ট ফার্ম গড়ে তুলেন।  যৌথভাবে মেরিনা তাবাসসুম দেশে বিদেশে অসংখ্য স্থাপত্য নকশা নির্মাণ করেন।  এর অনেকগুলোই এনে দিয়েছে আন্তর্জাতিক পুরষ্কার ও খ্যাতি।  ২০০৫ সালে তাবাসসুম তার নিজস্ব ফার্ম, মেরিনা তাবাসসুম আর্কিটেক্টস প্রতিষ্ঠা করেন।  মেরিনা তাবাসসুম এর মতে, প্রতিটি স্থাপনার আছে নিজস্ব সত্তা।

স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।  হলি ক্রস স্কুল ও কলেজ থেকে শিক্ষাজীবন শেষ  করে, ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (BUET) থেকে স্থাপত্যে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

মেরিনা তাবাসসুম তার কাজের স্বীকৃতি হিসেবে অনন্যা শীর্ষ দশ পুরস্কার (২০০৪) অর্জন করেন।  ২০২০ সালে ব্রিটিশ সাময়িকী ‘প্রসপেক্ট’–এর ৫০ চিন্তাবিদের মধ্যে শীর্ষ ১০ জনে স্থান করে নিয়েছিলেন মেরিনা।  এছাড়া, ২০২১ সালে মানবিক ঘর তৈরির জন্য যুক্তরাজ্যের মর্যাদাপূর্ণ সন পদক পান মেরিনা।  বাংলাদেশের এই স্থপতি প্রথম স্থপতি হিসেবে বিশ্বের দক্ষিণাঞ্চল থেকে এ মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতেছেন ।

Advertisements
Advertisements