বাংলাদেশের অন্যতম নারী বিষয়ক ম্যাগাজিনবৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
বিনোদন

নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা ফারুকীর, শান্তি চেয়েছিলেন পরীমণি

faruki

দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক স্মরণীয় দিন আজ ৫ আগস্ট। এক বছর আগে ঠিক এই দিনে টানা এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতা হারায় দীর্ঘদিনের শাসক দল আওয়ামী লীগ। ২০২৪ সালের সেই জুলাই-আগস্টে দেশের রাস্তায় নেমে আসে হাজার হাজার মানুষ

এই আন্দোলনের সঙ্গে শুধু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ নয় শোবিজ অঙ্গনের অনেক তারকাও ছিলেন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের সরব অবস্থান যেমন অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে আন্দোলনকারীদের।

চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বর্তমানে সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন যিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনের সূচনা থেকেই সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর তিনি লিখেছেন,” ৩৬ জুলাইয়ে স্বাধীন দেশে স্বাগতম! কী করে দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের স্থপতির কন্যা থেকে পৃথিবীর ইতিহাসে নিকৃষ্টতম স্বৈরশাসকে পরিণত হলো শেখ হাসিনা তা ভবিষ্যতের ইতিহাস শিক্ষার্থীরা মনোযোগ দিয়ে অধ্যয়ন করবে।”

তিনি আরও বলেন, বিজয়ের আনন্দ উদযাপন যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি ধৈর্য্য ও সচেতন থাকার সময়ও এখন। ফারুকী বলেন, ” প্রতিহিংসার বদলে আমরা দেখাবো সহমর্মিতা। চোখ খোলা রেখে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গড়ে তুলবো এক মানবিক গণতান্ত্রিক সমাজ।”

আন্দোলনের সূচনালগ্ন থেকেই ছাত্রদের পাশে ছিলেন চিত্রনায়িকা পরীমণিও। সরকার পতনের দিন সামাজিক মাধ্যমে লিখেছিলেন,” শান্তি চাই! লুটপাট, থানা আক্রমণ, প্রতিহিংসা চাই না। আমরা সংযত হই, দায়িত্ববান হই। প্রিয় বাংলাদেশে আর রক্তপাত চাই না।” পরীমণির এই আহ্বান আন্দোলনকারীদের মধ্যে সংযম ও সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেয়।

পাশাপাশি সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরও ঐতিহাসিক এই দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছিলেন,” আজ ৩৬ শে জুলাই (৫ আগস্ট) স্বাধীনতার নতুন সূর্যোদয় দেখেছে বাংলাদেশ। মনে রাখতে হবে স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন।” তিনি কৃতজ্ঞতা জানান দেশবাসীর প্রতি এবং বলেন, “সবুজের বুকে লাল, সেতো উড়বেই চিরকাল।”

অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে একটি বার্তা দেন ফেসবুকে। তিনি লিখেছিলেন,” এখনই সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগ বন্ধ করার ডাক দিচ্ছি। সাম্প্রদায়িক সহিংসতার খবর গভীরভাবে উদ্বেগজনক এবং তা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত। আমাদের কষ্টার্জিত স্বাধীনতা অর্থহীন হবে যদি সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণ হয়।” তাঁর মতে, এই বিপ্লব কোনোভাবেই অযৌক্তিক আক্রমণ ও সহিংসতায় কলঙ্কিত হওয়া উচিত নয়। তিনি দাবি জানান, সেনাবাহিনী যেন ছাত্রদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসে এবং গণমানুষের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে।

Advertisements