ঘরেই কাটুক আরেকটি ঈদ

ঘরেই কাটুক আরেকটি ঈদ
ঘরেই কাটুক আরেকটি ঈদ
করোনার এই দুর্যোগকালীন সময়ে সচেতনতা খুব জরুরি৷ প্রয়োজন ব্যতীত ঘরের বাইরে না যাওয়াই ভালো। তাই নিজেদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে ঘরেই কাটুন আরেকটি ঈদ। ঘরে থেকেই প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ যতটা সম্ভব ভাগাভাগি করে নিন। এসময়ে নিজেরা পারিবারিক ভাবেই সময়টাকে সুন্দর করুন। ছোট বাচ্চা থাকলে তাদের নিয়ে আনন্দ করুন। 

প্রতিবছর ঈদ আসার আগেই শুরু হয় ঈদ আনন্দ। শপিং মলগুলোতে থাকে উপচে পরা ভিড়। নাড়ির টানে বাড়ি ফেরেন লাখো মানুষ। কিন্তু এবার না হয় ঈদটা একটি ভিন্ন হোক। উৎসব থাক আনন্দটা হোক ঘরে বসে।

 

দেশে চলছে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ। আক্রান্ত - মৃত্যুর হার পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। আগামীকাল ঈদ-উল- ফিতর। এইসময় ঘরের বাইরে না যাওয়ার জন্য রয়েছে নানা নিষেধাজ্ঞা। পরিস্থিতিটা এখন আর স্বাভাবিক নেই। অচেনা শত্রুর আক্রমণে সবাই ঘায়েল।

 

করোনার এই দুর্যোগকালীন সময়ে সচেতনতা খুব জরুরি৷ প্রয়োজন ব্যতীত ঘরের বাইরে না যাওয়াই ভালো। তাই নিজেদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে ঘরেই কাটুন আরেকটি ঈদ। ঘরে থেকেই প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ যতটা সম্ভব ভাগাভাগি করে নিন। এসময়ে নিজেরা পারিবারিক ভাবেই সময়টাকে সুন্দর করুন। ছোট বাচ্চা থাকলে তাদের নিয়ে আনন্দ করুন। 

 

ঈদে যেহেতু এবার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই তাই ঘরটাকেই আনন্দে ভরিয়ে তুলুন। ঈদকে কেন্দ্র করে টেলিভিশনে নানারকম অনুষ্ঠান সম্প্রচার হয়। সারাদিন ব্যাপী বিভিন্ন চ্যানেলে বিভিন্ন অনুষ্ঠান দেখা যায়। সেগুলো দেখে সময় কাটাতে পারেন।

 

অনেকে বই পড়তে বা সিনেমা দেখতে পছন্দ করেন। তারা সঙ্গে কিছু বই রাখতে পারেন৷ অবসর সময়ে বসে বই পড়তে পারেন। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষণীয় সিনেমা বা ওয়েব সিরিজ দেখতে পারেন। এগুলো আপনাকে সময় কাটানের পাশাপাশি অনেক বিষয় জানতেও সাহায্য করবে। 

 

পরিবারে অনেক বয়স্ক লোকজন থাকেন। তারা সঙ্গ পেতে ভালোবাসেন। আপনি তাদের সঙ্গে গিয়ে গল্প করে দেখুন অনেক সুন্দর একটা সময় যাবে। তারাও বেশ খুশি হবে। আপনারও ভালো লাগবে। পরিবারের  সবার সঙ্গে ঈদ আনন্দটা ভাগাভাগি করে নেন। দেখবেন বাইরে যাওয়ার থেকেও এটা অনেক স্বস্তি দিবে।

 

করোনা মহামারি  খেটে খাওয়া মানুষের জীবনে যোগ হয়েছে নতুন সংগ্রাম। ফলে করোনার সময়ের ঈদ তাদের জন্য আনতে পারেনি কোন খুশির বার্তা। আনন্দ তো পরের বিষয় জীবন বাঁচানোই এখন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই আনন্দের কথা না ভেবে ঘরে থেকেই পারিবারিক করুন ঈদ উদযাপন। সাধ্যমতো পাশে দাঁড়ান নিম্ন আয়ের মানুষদের।

 

এই দুর্যোগকালীন সময়ে সুস্থ থাকা অনেক বেশি জরুরি। তাই সকল অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এরই সঙ্গে তাল মিলিয়ে করতে হবে ঈদ আনন্দ। 

 

করোনা আতঙ্কে সারাবিশ্ব। ম্লান হয়ে গেছে ঈদ আনন্দ। অন্য ঈদ আনন্দের চিত্র থেকে এবারের ঈদ আনন্দ একেবারেই ভিন্ন। এসময় আনন্দের থেকে বড় বিষয় হল পরিবার পরিজন নিয়ে সুস্থ থাকা। করোনার ভয়াল ছোবলে কেউ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এটাই প্রত্যাশা।