১ নভেম্বর, ২০২৬ | রবিবারবাংলা: ১৬ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলাদেশ

চাইনিজ বর দেখতে এলাকায় ভিড়, এলাকা ছাড়লেন নবদম্পতি

চাইনিজ বর দেখতে এলাকায় ভিড়, এলাকা ছাড়লেন নবদম্পতি

ফরিদপুরের সালথায় কলেজছাত্রীকে চীনা নাগরিকের বিয়ে নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ওই যুবককে দেখার জন্য ভিড় করছেন স্থানীয়রা।

উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের নকুলহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। চীনের ওয়াং চাও নামে ওই যুবক নাম পরিবর্তন করে এখন আরিফ ইসলাম নামকরণ করেছেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, চীনা ওই যুবকের নাম ওয়াং চাও (২৫)। তিনি চীনের উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা। বর্তমানে তার নাম আরিফ ইসলাম। ওই কলেজছাত্রীর নাম তাহমিনা আক্তার (২০)। তিনি ফরিদপুর শহরের সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী এবং নকুলহাটি এলাকার বাসিন্দা।

তাহমিনার পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বছর দুই আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চীনা যুবক ওয়াং চাওয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় ফরিদপুরের কলেজছাত্রী তাহমিনা আক্তারের। তাদের এই সম্পর্ক তাহমিনার পরিবার প্রথমে মেনে নেয়নি। তবে শেষ পর্যন্ত তার পরিবার রাজি হলে গত ১৯ অক্টোবর ঢাকায় তাহমিনার পরিবারের উপস্থিতিতে চীনা যুবকের সঙ্গে বিয়ে হয়। কোর্ট এভিডেভিডেটের মাধ্যমে মুসলিম হয়ে নাম ও ধর্ম পরিবর্তনের পর তাদের বিয়ে হয়।

গত ২৬ অক্টোবর (সোমবার) রাতে তারা তাহমিনার গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যান। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে চীনা নাগরিককে দেখার জন্য স্থানীয়রা ভিড় করেন। তবে মানুষের ভিড়ে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে তারা গা ঢাকা দেন। তাহমিনার পরিবার চীনা যুবকের বিস্তারিত তেমন কিছুই জানে না বলে জানায়। তাহমিনার সব কাগজপত্র তৈরি করা হচ্ছে, সব ঠিকঠাক থাকলে দুজনই চীনে চলে যাবেন বলে জানা গেছে।

আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেন বলেন, আমি লোকমুখে বিষয়টি আজকেই জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত জানাতে পারবো।

এ বিষয়টি নিয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দাবির উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাটি জানার পর ওই বাড়িতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে লোক পাঠানো হয়। তবে তাদের বাড়িতে পাওয়া যায়নি। তারা সালথা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন বলে জানতে পেরেছি। তাছাড়া ওই যুবক চীনের নাগরিক নাকি আদিবাসী সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কাজ চলছে।

Advertisements
Advertisements