Skip to content

২১শে মে, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার | ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এই বঙ্গ দ্বেষ

এই বঙ্গে অনেক বুদ্ধিজীবীদের দেখতে পাই।
এই বঙ্গে অনেক মহাকবিদের দেখতে পাই।
এই বঙ্গে অনেক সম্প্রীতির বার্তা বাহককে দেখতে পাই।
এই বঙ্গে রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে কথা বলার মত অনেক মুখরোচক নেতাদের দেখতে পাই।
যা দেখেছি সব ভুয়ো বাতাস, সব নিঃস্বতায় পোড়া এক রত্তি ছাই।

 

এই বঙ্গে অন্যায়ের প্রতিবাদ না করে শুধু সম্মান হারানোর ভয়ে
লেজ গুঁটিয়ে পালানোর মত অনেক মহাপুরুষদের দেখতে পাই।
আমি খুব ছোটখাটো মানুষ অথচ আমি মস্ত বড় ছোটলোক হয়েও
উনাদের দেখে বড় কষ্ট পাই , ওনাদের দেখে বড় লজ্জা পাই।

 

এই বঙ্গে ঝুলিয়ে সম্প্রীতির মালা
শালারা মা-বোনের ইজ্জত বেচে দেয়
তারাই আবার দেশপ্রেমের উন্মুক্ত চেতনার ভাষণে মঞ্চ আওড়ায়।
এই বঙ্গে ঐ কাণ্ডারির দল কেড়ে নেয় ইমোশন; 
ফাঁটকাবাজের শক্তিমান হয়ে পকেটে ভরে প্রমোশন,
সম্প্রীতির নামে নিজের স্বার্থে এখানে
ভেসে যায় আমার মা-বোনের সম্ভ্রম।

 

এই বঙ্গে ভাইয়ে-ভাইয়ে, বাবা-কাকায় হয়ে যায় কত হানাহানি
এই বঙ্গেই আমি দেখি; সব জেনেশুনেও জনস্বার্থে নেতারা করেনা কানাকানি,
শুধু বলে; "সম্প্রীতি, সম্প্রীতি, সম্প্রীতি"।
আমি যদি বলি ওহে নেতা, কেন হচ্ছে তবে সমাজের এত অবনতি?

 

স্বাধীনতার এত বছর পরেও এই বঙ্গের হয়েছে কি সংস্কার?
চারিদিকে হিংসার দুর্বার, এই বঙ্গ ঐ বঙ্গ ভেঙে হচ্ছে ছারখার
কি প্রয়োজন হয়েছিল ওদের আজ হিন্দুদের ঘরবাড়ি; মন্দির পোড়াবার?

 

তোমরা নাকি মুসলমান;
তোমাদেরওতো ধর্মের আছে অনেক মান সম্মান
তবে কেন অন্য ধর্মের ক্ষতি করে নিজের ধর্মকে করো অপমান?
আমি বিগ্রহ চিত্তে মালা ছিড়ে ফেলি সব নেতাদের সব রাজনৈতিক দলের
সব হিংস্রতার; সব নোংরা মানসিকতার।

 

আর যে সকল কবি সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবীরা
বুদ্ধির ঢেঁকি মাথায় নিয়ে চুপটি করে তামাশা দেখে
তোমাদের আক্কেল হওয়া চাই, 
তোমাদেরও আছে মা বোন, আছে ভাই।

তবে আজ তোমাদের কলম কোথায়?

 

হে কবি, হে বুদ্ধির ঢেঁকিওয়ালা বুদ্ধিজীবী
তোমাদের মানবিকতাও বিক্রি হয়েছে নাকি ঐ নেতাদের গোপন পকেটে?
নাকি তোমার ধর্মটাও বিক্রি হয়ে গেছে স্বার্থের হাটে?
তুমি জানো কি ? আমাদের জাতিটাও আজ ভেসে যেতে বসেছে সস্তার ঘাটে।

 

শুনে রাখ, শুনে রাখ, সকল বুদ্ধিজীবীগণ
সকল জাতির জাতীয়তাবাদ, সকল ধর্মের ধর্ম প্রবাদ
সকল দেশের দেশাত্বতা, সকল মনের মহানুভবতা
সকল মনের কামনা-বাসনায়; স্পর্শতা থাকুক স্বাধীনতায়।

 

আমাদের দুই বঙ্গের আপন সিন্ধু সেই তো মোদের বঙ্গবন্ধু
তারেই বলি মোরা জাতির জনক,
সেতো আজ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি মোদের অহংকারের মাইলফলক।
সে যে শিখিয়ে গেছেন একই ভাষায় দুই বঙ্গের আলিঙ্গন
শিখিয়েছেন ভালবাসতে; শিখিয়েছেন কাছে আসা আসি
সেই তো মোদের রবীন্দ্রনাথের কণ্ঠকে জাতীয় সংগীতে স্থাপন করেছেন
"আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি"।

 

জাগো; জাগো; জাগো; জাগো মহাবীর
এই বঙ্গমাতার নিঃস্ব খাতায়
রাখিবো আবার অটুট ছবি আমার বঙ্গের সংস্কৃতির।

 

 

ডাউনলোড করুন অনন্যা অ্যাপ