অন্ধকারে অতুলনীয় ছবি তুলতে ক্যামন ১৬ প্রিমিয়ার ফোনে টাইভস ল্যাব প্রযুক্তি

টেকনো
বাজারের বেশিরভাগ মোবাইল ফোনে ভিডিও রেকর্ডিং ও প্লেয়িংয়ের জন্য সাধারণত ১০৮০ পিক্সেল রেজুলেশন ব্যবহার করে থাকে। যেখানে টেকনো ক্যামন ১৬ প্রিমিয়ারে টাইভস প্রযুক্তির ২.৯ মিমি সুপার-লার্জ লেন্স পিক্সেল ব্যবহার করা হয়েছে। অন্ধকার পরিবেশে যা সাধারণ ক্যামেরার চেয়ে অনেক ভালো ছবি ক্যাপচার করতে পারবে। এতে থাকা কনফিগারেশন সাধারণ মোবাইল ফোনের চেয়ে দ্বিগুণ সুবিধা দিবে। টেকনো ক্যামন ১৬ প্রিমিয়ার ফোনটিতে থাকা এআই প্রযুক্তি বুদ্ধিমত্তার সাথে সুপার নাইট সিন্স, ডার্ক এনভারনমেন্ট এবং পোট্রেট শনাক্ত করতে এবং পোট্রেট বিভাজন ও সুরক্ষা দিতে পারে। যাতে আরও ভালো পোট্রেট ক্যাপচার, নাইট সিনকে আরও স্বচ্ছ, উজ্জ্বল ও পরিষ্কার এবং সবচেয়ে নিখুঁত ছবি নিতে পারে।

সদ্য সমাপ্ত বছরের ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে সর্বশেষ ক্যামেরা ফোন ক্যামন ১৬ সিরিজ চালু করেছে টেকনো। এই সিরিজের প্রধান আকর্ষণীয় ফিচারগুলোর একটি হলো ট্রেডমার্কযুক্ত টাইভস প্রযুক্তি। টাইভস ল্যাব প্রযুক্তির অন্যতম নজরকাড়া সুবিধা হলো ছবি তোলার ক্ষেত্রে বিশেষত রাতে ও কম আলোতে দুর্দান্ত এবং অভূতপূর্ব ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা দিবে।

টাইভস প্রযুক্তি বলতে মূলত টেকনো এআই ভিশন অপটিমাইজেশন সলিউশনকে বোঝায়। এটি এমন এক উন্নত সিগন্যাল প্রসেসিং প্রযুক্তি যা লাখ লাখ ডেটা পয়েন্টের উপর ভিত্তিতে এআই মাল্টি-ফ্রেমেড, পোট্রেট সেগমেন্টেশনের মাধ্যমে মূল ডেটার ব্যাখ্যা করে থাকে। এর নাইট ফটোগ্রাফি ইফেক্ট ছবিকে আরও ভালোভাবে ফিল্টার করতে পারে এবং ইমেজ ক্লিয়ারিটি অপটিমাইজ করতে পারে। টাইভস প্রযুক্তি সিভিপিআর ২০২০ এলআইপি গ্লোবাল প্রতিযোগিতায় ডার্ক কমপ্লেক্সশন সেগমেন্টেশন ট্র্যাক বিজয়ী হয়েছে খুব বেশি দিন হয়নি। এর মধ্যদিয়ে ক্যামন ১৬ প্রিমিয়ার যে বিশাল ক্ষমতার অধিকারী তার জানান দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

টেকনো ল্যাব প্ল্যাটফর্মে ফটোগ্রাফির প্রধান প্রযুক্তিগুলো নিয়ে গবেষণা ও পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে যাতে তারা আরও নিগূঢ় প্রযুক্তিগত অগ্রগতি অর্জন করতে পারে। স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের আরও বাস্তবধর্মী ভিডিও রেকর্ড ও ছবি তোলার সুবিধা দিতে টেকনোর গবেষণা কেন্দ্রগুলো একাধিক ভিজ্যুয়াল অ্যালগরিদম সমর্থিত লাখ লাখ ডিপ লার্নিং অ্যালগরিদম নিয়ে কাজ করছে। বাজারে থাকা অন্যান্য স্মার্টফোনগুলোর সাথে তুলনা করা হলে টেকনো ক্যামন ১৬ প্রিমিয়ার ছবি তোলার ক্ষেত্রে অধিকতর ভালো ফিল্টার এবং ইমেজ ক্লিয়ারিটি অপটিমাইজ করতে পারে। নাইট-টাইম ফটোগ্রাফি সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এতে আল্ট্রা ক্লিয়ার ৪৮ এমপি ফ্রন্ট ক্যামেরা এবং ৬৪এমপি রিয়ার ক্যামেরা যুক্ত করা হয়েছে। টেকনোর নতুন এ স্মার্টফোনের মূল সুবিধাগুলোর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এর নাইট শ্যুটিং মোড।

বাজারের বেশিরভাগ মোবাইল ফোনে ভিডিও রেকর্ডিং ও প্লেয়িংয়ের জন্য সাধারণত ১০৮০ পিক্সেল রেজুলেশন ব্যবহার করে থাকে। যেখানে টেকনো ক্যামন ১৬ প্রিমিয়ারে টাইভস প্রযুক্তির ২.৯ মিমি সুপার-লার্জ লেন্স পিক্সেল ব্যবহার করা হয়েছে। অন্ধকার পরিবেশে যা সাধারণ ক্যামেরার চেয়ে অনেক ভালো ছবি ক্যাপচার করতে পারবে। এতে থাকা কনফিগারেশন সাধারণ মোবাইল ফোনের চেয়ে দ্বিগুণ সুবিধা দিবে। টেকনো ক্যামন ১৬ প্রিমিয়ার ফোনটিতে থাকা এআই প্রযুক্তি বুদ্ধিমত্তার সাথে সুপার নাইট সিন্স, ডার্ক এনভারনমেন্ট এবং পোট্রেট শনাক্ত করতে এবং পোট্রেট বিভাজন ও সুরক্ষা দিতে পারে। যাতে আরও ভালো পোট্রেট ক্যাপচার, নাইট সিনকে আরও স্বচ্ছ, উজ্জ্বল ও পরিষ্কার এবং সবচেয়ে নিখুঁত ছবি নিতে পারে। এ ফোনটি শুধু ১০৮০ পিক্সেলের স্পষ্ট ভিডিও আউটপুট নিশ্চিত করে না সেইসাথে অন্ধকার পরিবেশে ব্যবহারকারীদের ফিল্মিংয়ের ক্ষেতে আরও উজ্জ্বল এক্সপোজার দেয় যা অন্যান্য মোবাইল ফোনগুলোতে নেই।

একইসাথে, টেকনো ক্যামন ১৬ প্রিমিয়ার এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টিলিজেন্ট রিকগনিশন করতে পারে। যা সুপার নাইট সিন্স, ডার্ক এনভারনমেন্ট এবং পেশাদার মানের পোট্রেটগুলোর মধ্যে তুলনা করতে পারে। এর ইন্টিগ্রেটেড সফ্টওয়্যার পোট্রেট-স্টাইলের ছবিগুলোকে আলাদা এবং শনাক্ত করতে পারে। যার ফলে ব্যবহারকারীরা তাদের রাতের এবং দিনের তোলা ভিডিওগুলো ম্যানিপুলেট ও এডিট করতে পারেন। ভিডিও বা ছবি যাই হোক না কেন, ব্যবহারকারীদের সবচেয়ে নিখুঁত ছবি তোলার সুবিধা দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে টেকনো।