মাইক্রোসফটের কিছু অব্যক্ত তথ্য!

মাইক্রোসফটের কিছু অব্যক্ত তথ্য!
মাইক্রোসফটের কিছু অব্যক্ত তথ্য!
বিশ্লেষকদের মতে, মাইক্রোসফটের হাত ধরে কমপক্ষে দুইজনের বেশি ব্যক্তি বিলিয়নিয়ার হয়েছে এবং সাথে মিলিয়নিয়ার হয়েছে ১২ হাজারের বেশি ব্যক্তি। মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং পল অ্যালেন প্রতিষ্ঠানটির প্রথম লোগোর নকশা করেন। তাদের যৌথ প্রচেষ্টায় তারা একদিনে এই নকশাটি তৈরি করতে সক্ষম হন।

মাইক্রোসফট একটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক বহুজাতিক কম্পিউটার প্রযুক্তি উৎপাদনকারী কোম্পানি। যার যাত্রা শুরু হয়  ৪ঠা এপ্রিল ১৯৭৫ সালে বিল গেটস এবং পল এলেন এর হাতে।এবং রাতারাতি ১৯৯০ সালের মধ্যে মাইক্রোসফট ৯০% বাজার দখল করতে সক্ষম হয়।এরা সারা বিশ্বজুড়ে সফটওয়্যার এর উন্নয়ন, নির্মাণ, লাইসেন্স প্রদান এবং তৈরিতে সাহায্য করে আসছেন।

 

মাইক্রোসফট নামটি এসেছে মূলত দুটি শব্দ থেকে; একটি হল মাইক্রোকম্পিউটার এবং আরেকটি শব্দ হল সফটওয়্যার, মাইক্রোসফট কে প্রথমে মাইক্রো-সফট এভাবে বলা হত।বিল গেটস মাইক্রোকম্পিউটার এর প্রতি খুব দুর্বল ছিলেন তাই তিনি মাইক্রোকম্পিউটার থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তার কোম্পানির নাম এর সাথে মাইক্রো শব্দটি যুক্ত করেছিলেন।

 

ভালো বা মন্দ যাই মনে হোক না কেন মাইক্রোসফট সব জায়গায় এই তার অস্তিত্ব নিয়ে আছে। ১৯৭০ এর দশকে এটা খুব ভালো একটি স্টার্টআপ হিসেবে আবির্ভূত হয়। তারপর সত্য নাদেলার হাতে বলতে গেলে এর পুনর্জন্ম ঘটে ১৯৯০ -এর দশকে।এরপর থেকে শুরু হয় মাইক্রোসফটের স্বর্ণ যুগ। সত্যিকার অর্থে মাইক্রোসফটের বেশ বড় একটা ইতিহাসের পাতা ফাকে লুকিয়ে থাকা তথ্যের কতটুক এই জানি আমরা?আসুন জেনে নেই সেই বিশ্লেষক ধর্মী কিছু অবদান-

 

অ্যাপল এর দুর্দিনে মাইক্রোসফট ১৯৯০ সালে অ্যাপলকে ১৫০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে  পাশে দাঁড়ায়।এবং অ্যাপল এর নাম মুছে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। 

 

জানা যায় সেই ১৯৮৭ সালে মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস সবচেয়ে কম বয়সী বিলিয়নিয়ার হিসেবে নির্বাচিত হন। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ৩১ বছর। আর ১৯৯৫ সালে তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসেবে নির্বাচিত হন। তখন তার অর্থের মোট পরিমাণ ছিল ১২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। যা ইতিহাসের পাতায় মাইলফলক।

 

বিশ্লেষকদের মতে, মাইক্রোসফটের হাত ধরে কমপক্ষে দুইজনের বেশি ব্যক্তি বিলিয়নিয়ার হয়েছে এবং সাথে মিলিয়নিয়ার হয়েছে ১২ হাজারের বেশি ব্যক্তি। মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং পল অ্যালেন প্রতিষ্ঠানটির প্রথম লোগোর নকশা করেন। তাদের যৌথ প্রচেষ্টায় তারা একদিনে এই নকশাটি তৈরি করতে সক্ষম হন।


খ্যাতিমান প্রযোজক এবং সুরকার ব্রায়ান ইনো উইন্ডোজ স্টার্টআপের বিখ্যাত শব্দটি তৈরি করেছিলেন। এটা প্রথম উইন্ডোজ ৯৫-এ ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়াও উইন্ডোজ ৯৫ -এর সঙ্গে মিউজিকের ভালো আন্তঃসম্পর্ক ছিল। অপারেটিং সিস্টেমের থিম সং ছিল রোলিং স্টোনের ‘স্টার্ট মি আপ’।

 

১৯৮৮ সালে বিল গেটস ওয়াশিংটনে ২ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে একটি বাড়ি কেনেন।বর্তমানে এর দাম বলা হয়ে থাকে ১২৩ মিলিয়ন ডলার। ১৯৯৪ সালে টাইমেক্স এর সাথে মিলে মাইক্রোসফট ডাটা-লিঙ্ক ১৫০ নামের একটি ঘড়ি তৈরি করেছিল, আর এটিই ছিল সর্বপ্রথম স্মার্টওয়াচ বলতে গেলে।

 

মাইক্রোসফটের কর্মীরা প্রতি বছর প্রতিষ্ঠানটির ক্যাফেটেরিয়া থেকে ২৩ মিলিয়নের বেশি পানীয় বিনামূল্যে পান করে। বিশেষ করে দুধ এবং কমলার জুস।

 

প্রযুক্তির এই দশকে দাড়িয়ে মাইক্রোসফটকে নিয়ে জানার কৌতুহল হয়তো এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে প্রযুক্তির অন্যকোন দ্বারপ্রান্তে। যার অস্তিত্ব আমাদের চলার বাকে বাকে। তার এমন অনেক অজানা তথ্য হতে পারে আমাদের জ্ঞানের খোরাক।