মঙ্গলের জন্য ‘সেরা’ ড্রোন উদ্ভাবন করেছে বুয়েট

মঙ্গলের জন্য ‘সেরা’ ড্রোন উদ্ভাবন করেছে বুয়েট
মঙ্গলের জন্য ‘সেরা’ ড্রোন উদ্ভাবন করেছে বুয়েট
বুয়েট ছাড়াও সেরা ১০ এর তালিকার নবম স্থানে রয়েছে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (খুয়েট)। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ব্র্যাকইউ কিলো ফাইট এর অবস্থান ১৬ তম।

সম্প্রতি মার্স সোসাইটি সাউথ এশিয়া আয়োজিত মহাকাশ গবেষণায় ব্যবহৃত ড্রোন তৈরির প্রতিযোগিতায় অষ্টম স্থানে অধিকার করে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) টিম ইন্টারপ্ল্যানেটার দল। ‘নির্ভীক’ নামক ড্রোনিটি আবিষ্কার করে তারা পেয়েছে ‘সেরা’ খেতাব।

 

তাদের চ্যালেঞ্জ ছিল এমন একটি ড্রোন তৈরি করা যা মঙ্গল গ্রহে গবেষণার কাজে ব্যবহার করা যাবে। সারা বিশ্ব থেকে ২৬টি দল অংশ নেয় এ বছরের আয়োজনে। বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোট তিনটি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। কম্পিউটারের বিভিন্ন সিমুলেশনের সাহায্যে পরীক্ষিত নকশার ওপরে বানানো প্রতিবেদন জমা দিতে হয় তাঁদের। যা যাচাই-বাছাই শেষে বিচারকেরা ঘোষণা করেন সেরা দলের নাম। সেরা ১০ দলের তালিকায় অষ্টম স্থানে আছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) টিম ইন্টারপ্ল্যানেটার দল। 

 

বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণকারী অন্য দলগুলোর ফলাফলও আশানুরূপ। বুয়েট ছাড়াও সেরা ১০ এর তালিকার নবম স্থানে রয়েছে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (খুয়েট)।ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ব্র্যাকইউ কিলো ফাইট এর অবস্থান ১৬ তম।

 

বুয়েটের ইন্টারপ্ল্যানেটার দলে ছিলেন তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস কৌশল বিভাগের খন্দকার শিহাবুল হক, মো. রাসুল খান, কুশল রায়; যন্ত্রকৌশল বিভাগের নাজীব চৌধুরী, নাফিজ ইমতিয়াজ, রাফি বিন দস্তগীর, স্বরূপ চন্দ, অপূর্ব সরকার, মিসফাকুর রহমান, সৈয়দ তাওসিফ ইসলাম, মো. আমিন হক, অজয় কুমার সরকার, ইন্তেসার জাওয়াদ জায়গীরদার, ইয়ামিনুল হক, ইমন রায়, ফারসিয়া কাওসার চৌধুরী, এম আবরার মুহিত, আর কে বি এম রিজমি ও বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এস এম সাকিফ সানি।

 

তাদের ড্রোনে থাকা বিশেষ ‘গ্যাস কম্প্রেসন সিস্টেম’ নজর কেড়েছে বিচারকদের। টিম ইন্টারপ্ল্যানেটারের উদ্ভাবিত ড্রোন নির্ভীক মঙ্গলের মাটিতে গবেষণায় সাহায্য করতে পারবে। এটির ভেতরে থাকা বিভিন্ন সেন্সর মঙ্গলের বায়ুতে থাকা নানা উপাদান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তা পাঠাতে পারবে নির্ধারিত রোভারে। এ কাজে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মঙ্গলের তাপমাত্রা। প্রায়-১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার বৈরী আবহাওয়াতেও গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার মতো সক্ষমতা রেখে তৈরি করা হয়েছে নির্ভীক।