অনলাইনে হয়রানি, আর কতো?

অনলাইনে হয়রানি, আর কতো?
ছবিঃ সংগৃহীত
অফলাইন কিংবা অনলাইন যাই হোক,  নির্যাতন ঠেকাতে পরিবার থেকে নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার শিক্ষা শুরুর পাশাপাশি নির্যাতনবিরোধী আন্দোলনে পুরুষদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে বলেছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

একাল আর সেকাল, আমাদের সমাজব্যবস্থায় এসেছে বহু পরিবর্তন। কিন্তু নারীদের হয়রানি, হেনস্তা আর নির্যাতনের দিকটি যেনো এখনো অপরিবর্তিত। শুধু সময়ের সঙ্গে পাল্টেচ্ছে নারী নির্যাতনের ধরন। প্রযুক্তির কল্যাণকে কাজে লাগিয়ে বেড়েই চলেছে নারীর উপর সাইবার হয়রানি।  


অফলাইন কিংবা অনলাইন যাই হোক,  নির্যাতন ঠেকাতে পরিবার থেকে নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার শিক্ষা শুরুর পাশাপাশি নির্যাতনবিরোধী আন্দোলনে পুরুষদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে বলেছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। শনিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে ‘নারী নির্যাতন রোধে এই সময়ে করণীয়’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় এ অভিমত তুলে ধরেন বক্তারা। 

 

এসময় বক্তারা বলেন, সাইবার জগতে নারীর ওপর হয়রানি এখন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। হয়রানি রোধে করণীয় ঠিক করতে গণমাধ্যমসহ প্রতিটি ক্ষেত্রের মতামত উঠে আসা দরকার। সমতার জন্য ও নির্যাতন প্রতিরোধের জন্য কী কী করা প্রয়োজন, তা জানতে পারলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হয়।


এছাড়াও বক্তারা বলেন, পরিবার থেকেই নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার শিক্ষা শুরু করতে হবে। যে ছেলেসন্তান মায়ের প্রতি বাবার নির্যাতন দেখে, সে বড় হয়ে অন্য নারীদের প্রতিও সে রকম দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বড় হয়। 


সেন্ট্রাল উইমেনস ইউনিভার্সিটির উপাচার্য পারভীন হাসান এ বিষয়ে বলেন, যৌনতাবিষয়ক শিক্ষাকে সাধারণ স্বাস্থ্য জ্ঞান হিসেবে পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। শুধু তাই নয়  শিক্ষকদের তা শেখানোর জন্যও আহ্বান জানান তিনি।


আমাদের সমাজে বর্তমানে নির্যাতনের শিকার নারীরা সঠিক বিচার পান না। কেউতো ভয়ে আইনের দারস্থও হতে পারেননা। আর এ কারণে নারী নির্যাতন যেনো আরো কয়েকগুণ বেড়ে যাচ্ছে। আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে নারী নির্যাতন রোধ করা সম্ভব বলেও উল্লেখ করেন উপস্থিত বক্তারা।