পাকিস্তানে এক তরুণীর শিরশ্ছেদ !

পাকিস্তানে এক তরুণীর শিরশ্ছেদ
ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে নিহত সাবেক রাষ্ট্রদূতের মেয়ে নুর মুকাদামকে গুলি করে হত্যার পর শিরশ্ছেদ করা হয়েছিল বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা যায়। এর আগে পুলিশের তরফ থেকে পাকিস্তানে এক তরুণীর শিরশ্ছেদের বিষয়টি না জানানো হলেও সম্প্রতি তা সামনে এসেছে। ইসলামাবাদের একটি অভিজাত এলাকা থেকে ২০ জুন শওকত মুকাদামের মেয়ে নুরের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। শওকত দক্ষিণ কোরিয়া ও কাজাখস্তানে পাকিস্তানি কূটনীতিক হিসেবে কাজ করেছেন। 

মালালা ইউসুফজাইয়ের নাম নিশ্চয়ই শুনেছেন। তিনি তো অসাধ্যকে সাধ্য করেছেন এবং সে রচনায় সৃষ্টিকর্তার সাহায্য ছিল অপার। তবে ভাগ্যদেবতা সবসময়ে সকলের সহায় হয় নাহ। কিছু সময়ে কিছু গল্প লিখতে গিয়েও লেখা হয় নাহ। ভুল ভালোবাসাই নুরের জীবনের কাল হয়ে দাঁড়ালো। ইতোমধ্যেই আন্দাজ করতে পেরেছেন গল্পটিকে। যা নেট দুনিয়ায় ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে গিয়েছে।

 

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে নিহত সাবেক রাষ্ট্রদূতের মেয়ে নুর মুকাদামকে গুলি করে হত্যার পর শিরশ্ছেদ করা হয়েছিল বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা যায়। এর আগে পুলিশের তরফ থেকে পাকিস্তানে এক তরুণীর শিরশ্ছেদের বিষয়টি না জানানো হলেও সম্প্রতি তা সামনে এসেছে। ইসলামাবাদের একটি অভিজাত এলাকা থেকে ২০ জুন শওকত মুকাদামের মেয়ে নুরের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। শওকত দক্ষিণ কোরিয়া ও কাজাখস্তানে পাকিস্তানি কূটনীতিক হিসেবে কাজ করেছেন। 

 

প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে দেওয়ার কারণে নুরকে গুলি করে হত্যার পর তার পাকিস্তানে এক তরুণীর শিরশ্ছেদ করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, নুরকে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার জাহির জাফর ইসলামাদের এক শীর্ষ ব্যবসায়ীর ছেলে। কিছুদিন আগেই জাহিরের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে দেন নুর। নুরের এই প্রত্যাখ্যান সহজ ভাবে নেননি জাহির। আর এই কারণেই তাকে এভাবে হত্যা করা হয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জাহিদ হাফিজ চৌধুরী এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। অভিযুক্ত জাহির মাদকাসক্ত ছিলেন। এমনকি তিনি মানসিক ভাবে সুস্থ নন।

 

এদিকে নুরকে হত্যার ঘটনায় নারীদের নিরাপত্তা-হীনতার বিষয়টি সামনে এনে ক্ষোভে ফুঁসছে পাকিস্তানের হাজার হাজার মানুষ। এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসেন হাজারও মানুষ। তাদের নারী ও শিশুরাও এই ছোবল থেকে মুক্ত নয় বলে তাদের স্লোগান। এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সরব হয়েছেন মানবাধিকার-কর্মীরাও। অনেকেই ফেসবুক, টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন।