রেকর্ডের দিনে পরাজয়! 

রেকর্ডের দিনে পরাজয়! 
সানিয়া মির্জা
ইউক্রেনের যমজ বোনের জুটি লাইয়ুড মাইলা কিচেনক ও নাদিয়া কিচেনকের কাছে হেরেছেন সানিয়া-অঙ্কিতা। নাটকীয়তায় ভরা এই ম্যাচ ইউক্রেনের এই যমজ বোন ০-৬, ৭-৬ (০), ১০-৮ জিতে নেয়।

সানিয়া মির্জা নামটি দক্ষিণ এশিয়ায় যতটুকই পরিচিত তার থেকে সমগ্র দুনিয়া অধিকতর খ্যাত। গত একদশক ধরে টেনিসের সাথে নামটি এমনভাবে জড়িয়ে আছে, বলা  হয়ে থাকে টেনিসের রাজকন্যা তাকে।নামের সাথে যুক্ত করেছেন শতক খানেক রেকর্ড। এর মধ্যে ভারতের প্রথম মহিলা অ্যাথলেট হিসেবে চারটি অলিম্পিকে নামার রেকর্ড গড়লেন তিনি। টোকিও অলিম্পিকে ম্যাটে নেমেই অনন্য এক কীর্তি গড়েছেন ভারতীয় টেনিস তারকা। 

 

মহিলা টেনিসের কথা উঠলেই আলোচনায় থাকেন ভারতীয় সেনসেশন সানিয়া মির্জা। ক্যারিয়ারে ভুরিভুরি অর্জন থাকলেও অলিম্পিক মঞ্চে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারলেন না তিনি। রোববার আধিপত্য বিস্তার করে শুরুটা হলেও পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাকে।

 

ইউক্রেনের যমজ বোনের জুটি লাইয়ুড মাইলা কিচেনক ও নাদিয়া কিচেনকের কাছে হেরেছেন সানিয়া-অঙ্কিতা। নাটকীয়তায় ভরা এই ম্যাচ ইউক্রেনের এই যমজ বোন ০-৬, ৭-৬ (০), ১০-৮ জিতে নেয়।

 

লাস্যময়ী টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা তার ক্যারিয়ারে গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন ছয়বার। অলিম্পিকে মহিলা ডাবলসে তিনি এবার বেছে নিয়েছিলেন তরুণ খেলোয়াড় অঙ্কিতা রায়নাকে।

 

কীর্তি গড়ার দিনেও আলো ছড়াতে পারলেন না অলিম্পিকের মঞ্চে। মহিলা ডাবলসের প্রথম রাউন্ডে বাদ পড়ে গেলেন তিনি। আশা জাগিয়েও সফল হতে পারলেন না সানিয়া মির্জা ও অঙ্কিতা রায়না জুটি। সানিয়াকে নিয়ে টেনিসে পদক জেতার স্বপ্ন দেখছিল ভারত, সেটা পূরণ হল না। 

 

বলা হয় "মানুষ পরাজিত হয় তার নিজের কাছেই"। এবারের অলিম্পিক হয়তো তার মুখে হাসি নেই। মুখটি মলিন করেই ফিরে আসতে হবে তবে পরাজিত হওয়ার আর্তনাদ থেকেই হয়তো গোটা বিশ্ব দেখবে এক নতুন সানিয়া মির্জাকে।