নারীর সংযুক্তি এলিট ফোর্সে!

নারীর সংযুক্তি এলিট ফোর্সে!
নারীর সংযুক্তি এলিট ফোর্সে!
ইউএস নেভির তথ্য বরাত থেকে জানা যায়, ৩৭ সপ্তাহের গেরিলা প্রশিক্ষণ সফলতার সঙ্গে শেষ করেছেন এই নারী সেনা। ফলে তিনি এখন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর গোপন ও উচ্চ ঝুঁকির অভিযানগুলোয় অংশ নিতে পারবেন। তবে পেন্টাগনের নিয়ম মেনে তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

বলা হয় পরাশক্তিতে বিশ্বের শীর্ষ শক্তিশালী রাষ্ট্র হচ্ছে আমেরিকা। প্রযুক্তি, গাড়িবহর, অস্রসজ্জা, লাঞ্চার, আরটিলারি, ট্যাংক, স্পিড ভেসেল সহ কারিগরি সকল দিক থেকে রাজাদের রাজা হচ্ছে আমেরিকান সামরিক বাহিনী। এত বড় শক্তিশালী রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও রাষ্ট্রটির স্পেশাল ফোর্সগুলোতে কখনেই নারী সদস্যের দেখা মেলেনি। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর নেভি সিল বা এলিট ফোর্সে যোগ দিতে যাচ্ছেন এক নারী।

 

ইউএস নেভির তথ্য বরাত থেকে জানা যায়, ৩৭ সপ্তাহের গেরিলা প্রশিক্ষণ সফলতার সঙ্গে শেষ করেছেন এই নারী সেনা। ফলে তিনি এখন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর গোপন ও উচ্চ ঝুঁকির অভিযানগুলোয় অংশ নিতে পারবেন। তবে পেন্টাগনের নিয়ম মেনে তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

 

২০১৫ সালে মার্কিন সামরিক বাহিনী এলিট ফোর্সে নারীদের অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু গত কয়েকবছরে বিশেষ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শেষ করতে পারেনি কেউ। এবারই প্রথম কোন নারী তা করতে পেরেছেন।

 

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সর্বশেষ এসডব্লিউসিসি প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়াদের মধ্যে মাত্র ৩৫ শতাংশ সেনা কঠিন ও শ্রমসাধ্য এই কার্যক্রম শেষ করতে পেরেছেন। গত বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) তা শেষ করেছেন ১৭ জন নৌ সেনা এবং এদের মধ্যে এক নারী সদস্যও আছেন।

 

স্পেশাল ওয়ারফেয়ার কমান্ডের কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল এইচ ডব্লিউ হওয়ার্ড বলেন, প্রশিক্ষণে প্রথমবার নারী সেনার উতরে যাওয়ার বিষয়টি অসাধারণ কৃতিত্ব। তার জন্য আমরা গর্বিত।

 

বিবিসির সুত্র ধরে জানা যায়, তিনি স্পেশাল ওয়ারফেয়ার কমব্যাট্যান্ট ক্রাফট ক্রুমেন (এসডব্লিউসিসি) নামের বিশেষ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সফলভাবে শেষ করেছেন। এক বিবৃতিতে তথ্যটি জানিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। 

 

প্রশিক্ষণের মধ্যে অন্যতম কঠিন কাজ ছিল চরম বৈরী পরিবেশে ২৩ ঘণ্টা দৌড়ানো, সাঁতার কেটে ৫ মাইল বা প্রায় ৮ কিলোমিটার পাড়ি দেওয়া। এছাড়া শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম সফলভাবে শেষ করতে হয়েছে তাদের।

 

নারীদের সফলতা দেখে অবাক হওয়ার কিছুই নেই। কথায় বলে "যে রাঁধে সে চুল ও বাধে"। ইচ্ছাশক্তির কাছে যে সকল বিষয়বস্তু তুচ্ছ তা হয়তো আরেকবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন এই নারী। নিয়ম শৃঙ্খলা মানার খাতিরে হয়তো তার পরিচয়টি জানা যায় নি তবে এই অর্জন সকল নারীর।