শীতে খুশকি থেকে চুলের রক্ষা

শীতে খুশকি থেকে চুলের রক্ষা
শীতে খুশকি থেকে চুলের রক্ষা
ছেলে হোক বা মেয়ে হোক, বয়স্ক হোক বা তরুণ হোক, লম্বা চুল হোক বা ছোট চুল হোক খুশকি মোটামুটি সব চুলেই আক্রমণ করতে পারে। বাজারে খুশকি দূর করার নানা ধরনের শ্যাম্পু ও তেল পাওয়া যায়। কিন্তু সেগুলো খুশকি দূর করতে পুরোপুরি সক্ষম হয়না। আবার অনেকসময় এগুলোয় উল্টো চুলের ক্ষতি হয়। তাই খুশকি দূর করতে ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করা বেশি নিরাপদ।

শীত এলেই চুলের যে মূল সমস্যাটা দেখা দেয় তা হলো খুশকি। শীত এলেই যেন চুলে তাদের হানা পড়ে। ছেলে হোক বা মেয়ে হোক, বয়স্ক হোক বা তরুণ হোক, লম্বা চুল হোক বা ছোট চুল হোক খুশকি মোটামুটি সব চুলেই আক্রমণ করতে পারে। মাথায় খুশকি হলে চুল বেশি পড়ে। তাই দেখা যায় শীতকালে চুল অনেক বেশি ওঠে। 
বাজারে খুশকি দূর করার নানা ধরনের শ্যাম্পু ও তেল পাওয়া যায়। কিন্তু সেগুলো খুশকি দূর করতে পুরোপুরি সক্ষম হয়না অনেকসময়। আবার অনেকসময় এগুলোয় উল্টো চুলের ক্ষতি হয়। তাই খুশকি দূর করতে ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করা বেশি নিরাপদ।
ঘরোয়া পদ্ধতিতে খুশকি দূর করার উপায়গুলো নিচে দেয়া হলো:

 


টকদই ও ডিমের সাদা অংশ:
খুশকি দূর করতে টকদই খুবই উপকারী। একটি ডিমের সাদা অংশ ও ৪ টেবিল চামচ টকদই খুব ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। মাথার ত্বকে ও চুলে ভালোভাবে লাগিয়ে নিন। ২০ পর ভালো করে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। খুশকির সমস্যা পুরোপুরি না যাওয়া পর্যন্ত সপ্তাহে দু’বার এই প্যাক ব্যবহার করুন।

 


লেবুর রস: খুশকি দূর করতে লেবুর জুড়ি নেই। দুই টেবিল-চামচ লেবুর রস নিয়ে পুরো মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসেজ করুন। ১০/১৫ মিনিট পর চুল শ্যাম্পু করে নিন। শুধু লেবুর রসে কারো এ্যালার্জি থাকলে লেবুর রসের সাথে একটু পানি এড করতে পারেন। আবার টকদই ও ডিমের প্যাকের সাথেও লেবুর রস মিশিয়ে দিতে পারেন। খুশকি না যাওয়া পর্যন্ত এটি ট্রাই করুন। 

 


মেথি: মেথি চুলের খুবই উপকারী একটি উপাদান। মেথি সারা রাত ভিজিয়ে পরেরদিন সেটি বেটে নিয়ে পেস্ট বানিয়ে চুলের গোড়ায় ও চুলে লাগান। ৩০ মিনিট পর চুল ধুয়ে নিন। এছাড়াও রেগুলার নারকেল তেলের সাথেও মেথি ব্যবহার করা যায়। তেল গরম করে এতে মেথি গুঁড়া মেশান। মিশ্রণটি আগেরদিন রাতে পুরো চুলে লাগিয়ে পরেরদিন সকালে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। দ্রæত ফল পেতে সপ্তাহে ৩ দিন এটি ব্যবহার করতে পারেন। মেথি নিয়মিত ব্যবহারে মাথার চুল ও ত্বক দুইই ভালো থাকে।

 


পেঁয়াজের রস: খুশকি দ্রুত দূর করতে পেঁয়াজের রস অত্যন্ত কার্যকর। পেঁয়াজ ছোট করে কেটে নিয়ে  একটু পানি দিয়ে বেটে নিন। বেøন্ডারেও দিতে পারেন। এরপর সেখান থেকে রস ছেঁকে নিন। পেঁয়াজের রস চুলের গোড়ায় ভালো করে ম্যাসেজ করুন। ১৫/২০ মিনিট পর চুল ভালোভাবে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে দুবার ব্যবহারে খুশকি চলে যাবে। সাথে মাথা চুলকানিও কমে যাবে।

 


নারকেল তেল: নারকেল তেল খুশকির কমাতে অত্যন্ত উপকারী। এছাড়াও নারকেল তেলে আরো ভেষজগুণ থাকায় এটি চুলের জন্য খুবই উপকারী। নারকেল তেল চুলের গোড়া ময়েশ্চারাইজ করে খুশকি দূর করে। সপ্তাহে দু’বার চুলের গোড়ায় নারকেল তেলের মালিশ খুবই উপকারী।

 


অলিভ অয়েল: খুশকির দূর করতে জলপাই তেল বা অলিভ অয়েলের জুড়ি নেই। অলিভ অয়েল নিয়মিত ব্যবহারে খুশকি কমে যায়। গোসলের এক ঘন্টা আগে অলিভ অয়েল লাগিয়ে শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিস্কার করে নিন।