পরিবেশনায় ঈদের পূর্ণতা

পরিবেশনায় ঈদের পূর্ণতা
ঈদ উদযাপনের একটি বড় জায়গাজুড়ে রয়েছে ঈদের খাবার। আর এই খাবারকে উৎসবের অংশ করে তুলে এর পরিবেশন। তাই ঈদের দিন টেবিল সাজানোর জন্য কিছু বিষয় মাথায় রাখা উচিত। ঘরে থাকা উপাদান দিয়েই খুব সহজে সাজিয়ে নিতে পারেন ঈদের দিনের টেবিল। খাবার টেবিলের আকার ও রঙের ওপর নির্ভর করে তার সজ্জার বিষয়গুলো নির্ধারণ করতে হবে। খাবার ঘরে বেশি জায়গা থাকলে টেবিলের স্থান পরিবর্তন করলেও আসবে ভিন্নতা।

করোনার সংক্রমণ এড়াতে দেশে এখন বিরাজ করছে লকডাউন পরিস্থিতি। এর মধ্যেই সামনে পবিত্র ঈদুল ফিতর। তাই বলাই যায়, এবারের ঈদ হবে একেবারেই ভিন্নধর্মী। আত্মীয়-স্বজনদের দাওয়াত কিংবা তাদের বাড়িতে যাওয়া হবে না এবার। কিন্তু তাই বলে তো অন্দরমহলের ঈদ আমেজে ভাটা পড়তে পারে না। ঈদের দিন ঘরোয়া আমেজে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছোট আয়োজন তো থাকতেই পারে। ঈদের দিন বাড়িতে থাকা বাসনকোসন ও টেবিল সজ্জার উপকরণ দিয়েই নান্দনিক পরিবেশ তৈরি করতে পারেন আপনি নিজেই।

 

ঈদ উদযাপনের একটি বড় জায়গাজুড়ে রয়েছে ঈদের খাবার। আর এই খাবারকে উৎসবের অংশ করে তুলে এর পরিবেশন। তাই ঈদের দিন টেবিল সাজানোর জন্য কিছু বিষয় মাথায় রাখা উচিত। ঘরে থাকা উপাদান দিয়েই খুব সহজে সাজিয়ে নিতে পারেন ঈদের দিনের টেবিল। খাবার টেবিলের আকার ও রঙের ওপর নির্ভর করে তার সজ্জার বিষয়গুলো নির্ধারণ করতে হবে। খাবার ঘরে বেশি জায়গা থাকলে টেবিলের স্থান পরিবর্তন করলেও আসবে ভিন্নতা।

 

এখন গ্রীষ্ম। বছরের এই সময়টাতে তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রকৃতিতে গরম খানিকটা বেশি। ঈদের সকালের সময়টাতে তাই টেবিলে সাদা রঙের ক্লথ কিছুটা আরামদায়ক অনুভূতি দেবে। তবে বাসায় সাদা টেবিল ক্লথা না থাকলে যেকোনো বিছানার সাদা চাদর বা সাদা ওড়না ব্যবহার করা যেতে পারে। পাশাপাশি সম্ভব হলে পুরনো জামদানির পাড় বা পুরনো শাড়ি কেটে নকশা করে তৈরি করে নিতে পারেন নিজেই।

 

 

ঈদের খাবার পরিবেশনের বাসন হওয়া চাই একটু রঙিন। ঘরে থাকা রঙিন বাসন সেক্ষেত্রে ভিন্ন রূপ এনে দিতে পারে। রঙিন সিরামিক বা মেলামাইনের বাসনে সকালের নাশতা পরিবেশন করতে পারেন। চামচ ব্যবহার করতে পারেন সিরামিকের বা কাঠের। টেবিলে সামান্য স্নিগ্ধতা আনতে পারে বারান্দায়, ছাদে বা বাগানে ফোটা ফুল।

 

এবার দুপুরের খাবার। পরিবেশনের আগে টেবিল ক্লথটা পরিবর্তন করে নিতে পারেন। আর এ সময় যেহেতু একটু ভারী খাবার পরিবেশন হবে, তাই টেবিল ক্লথ হতে পারে হালকা কোনো রঙের। সে রকম না থাকলে নকশা বা ছোট ফুলের ছাপা চাদর বা ওড়না বিছানো যাবে অনায়াসে। আর সব সময়ে ব্যবহারের সময় প্লাস্টিকের টেবিল ম্যাট বিছিয়ে নিলে পরিষ্কার করাও সহজ হবে।

 

দুপুরের খাবার পরিবেশনের জন্য স্বচ্ছ কাচের বাসন ব্যবহার করা যেতেই পারে। সকালে গোল আকারের বাসন ব্যবহার করলে দুপুরে একটু পরিবর্তন এনে ঘরে থাকা চারকোনা আকারের বাসন টেবিলে সাজানো যায়। রুপালি রঙের চামচ এই বাসনের সঙ্গে মানানসই হবে। টেবিলের এক পাশে ঘরে থাকা ফল ঝুড়িতে বা কাচের বোলে সাজিয়ে রাখলে কিছু নতুনত্ব আসবে।

 

রাতের জন্য টেবিল ক্লথ হিসেবে লাল রঙের কোনো কাপড় বেছে নিতে পারেন। তার ওপর সাদা বা হালকা রঙের টেবিল ম্যাট ও রানার বিছিয়ে দিন। একরঙা সাদা বা কালোর পাশে সোনালি বর্ডার করা সিরামিকের ডিনার সেট ভালো লাগবে। এর সঙ্গে সোনালি রঙের চামচ ব্যবহার করতে পারেন। আর টেবিলের পাশে ঘরে থাকা মোম গ্লাসে সাজালে টেবিলের সাজে আসবে পূর্ণতা।